Sonarpur Case: স্বামীকে বেধড়ক মারধর! সোনারপুরে গলায় ছুরি ধরে হাত-পা চেপে মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত পলাতক

Sonarpur Case: শুক্রবার রাতের এই ঘটনার পর শনিবার সোনারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

Published on: Nov 1, 2026, 12:11:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Sonarpur Case: বারুইপুর কাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এক নৃশংস ঘটনায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর (Sonarpur)। মাঝরাতে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল কয়েক জনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, স্বামীকে মারধর করে খুনের হুমকি দিয়ে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়। শুক্রবার রাতের এই ঘটনার পর শনিবার সোনারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

সোনারপুরে গলায় ছুরি ধরে হাত-পা চেপে মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত পলাতক
সোনারপুরে গলায় ছুরি ধরে হাত-পা চেপে মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত পলাতক

এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজপুর-সোনারপুর থানার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার স্বামীর সঙ্গে সুভাষগ্রামে এক আত্মীয়ার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন ওই নির্যাতিতা গৃহবধূ। এরপর সেদিন রাতেই দেড়টা নাগাদ স্বামীর সঙ্গে ওই পাড়াতেই অন্য একজনের বাড়িতে ঘুমোতে যাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সে সময়েই পাড়ার পাঁচজন যুবক তাঁদের পিছু নেয়। কিছুটা দূরে যেতেই দম্পতির পথ আটকায় যুবকের দল। প্রতিবাদ জানাতে গেলেই গৃহবধূর স্বামীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। অসহায় অবস্থায় মহিলা চিৎকার শুরু করলে তাঁকেও খুনের হুমকি দেওয়া হয়। গলায় ছুরি ধরে একটি ফাঁকা ঘরে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। হাত-পা চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশকে নির্যাতিতা জানিয়েছেন, তাকে একজনই ধর্ষণ করেছে। বাকিরা তাঁর হাত-পা চেপে ধরেছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে তাঁকে খুন করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ঘটনার ঘণ্টা খানেক পর অভিযুক্তদের নাগাল থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে কোনক্রমে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন তিনি এবং স্বামীকে নিয়ে রাতে অন্য একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। শনিবার সকালে সোনারপুর থানায় গিয়ে গোটা ঘটনা জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই দম্পতি। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক মূল অভিযুক্ত-সহ অন্যরা। যদিও পরে তদন্তে নেমে একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও কেন অভিযুক্তদের ধরা হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা, বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তাঁদের দাবি, সুভাষগ্রাম স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। প্রতিদিন রাতে বহিরাগতদের মদ ও গাঁজার আসর বসে। কারও কারও অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলর ও পুলিশকে জানানো হয়েছে। তবে কেউ কর্ণপাত করেননি। ঘটনার পর থেকে নিজেদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।