Gold Fraud Allegations: ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্স! রিলস দেখে আড়াই গ্রাম সোনা কেনেন হুগলির যুবক, বাড়িতে গিয়ে যা হল...

Baruipur Gold Fraud Allegations: বারুইপুরের ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্স থেকে সোনা কেনার পর ওজন ও বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেখে বারুইপুরের ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্স থেকে সোনা কেনেন খানাকুলের ওই ব্যক্তি।

Published on: Nov 6, 2026, 17:00:25 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Baruipur Gold Fraud Allegations: রিলস থেকে ইনস্টাগ্রাম খুবই জনপ্রিয়। ফেসবুকে রিলস দেখেই ভিড় জমত দোকানে। এই বাজারেও এত কম দামে সোনা! সবাই হু হু করে ভিড় জমাচ্ছিলেন দোকানে। সোনাও বিকোচ্ছে, রিলসের ভিউও বাড়ছে। সেই দেখে আরও লম্বা হচ্ছে ক্রেতাদের লাইন। এবার সেই দোকানে সোনায় জালিয়াতির অভিযোগ সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বারুইপুরের ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে বারুইপুর থানায় এফআইআর দায়ের করলেন হুগলির খানাকুলের এক ব্যক্তি।

বারুইপুরে ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
বারুইপুরে ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

সূত্রের খবর, বারুইপুরের ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্স থেকে সোনা কেনার পর ওজন ও বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেখে বারুইপুরের ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্স থেকে সোনা কেনেন খানাকুলের ওই ব্যক্তি। তাঁর দাবি, বিলে সোনার ওজন উল্লেখ ছিল ২.৫৫০ গ্রাম। কিন্তু সোনার গুণমান নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় বাইরে গিয়ে সেটি গলিয়ে পরীক্ষা করান তিনি। অভিযোগ, সোনা গলানোর পর মাত্র ১.১৪০ গ্রাম সোনা পান তিনি। এছাড়াও, বিলে হলমার্ক চার্জ নেওয়া হলেও গয়নায় হলমার্কের স্ট্যাম্প ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যক্তি।

তাঁর আরও দাবি, ২২ ক্যারেট সোনা বলে বিক্রি করা হলেও সেটি ২২ ক্যারেটের ছিল না। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার বারুইপুর থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর বারুইপুর থানার পুলিশ ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে। এ ব্যাপারে ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তের ফল সামনে এলেই স্পষ্ট হবে, সোনা কেনাবেচার ক্ষেত্রে আদৌ কোনও অনিয়ম হয়েছিল কিনা। এই প্রসঙ্গে ক্রেতা বলেন, 'দীর্ঘদিন ধরেই তো ওরা এভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছে। আর এইভাবেই প্রতারণা করছে। এটা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। বাড়ির লোকের দেখেই সন্দেহ হয়। সোনা কিনে বাড়িতে অশান্তি শুরু হয়ে যায়। পরে সন্দেহ মেটাতে সোনা নিয়ে যায়, সোনা গলিয়ে দেখি এই অবস্থা।'