Amit Shah to WB BJP Leaders: ২ থেকে ২০ আসনে পৌঁছাতে হবে, টিকিটের জন্য হ্যাংলামি নয়- ছাব্বিশের নির্দেশ শাহের
কলকাতা ও সংলগ্ন শহরতলিতে দুটি থেকে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ২০ করতে হবে, আর টিকিট পাওয়ার জন্য হ্যাংলামি করা যাবে না- ২০২৫ সালের শেষদিনে ছাব্বিশের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
কলকাতা ও সংলগ্ন শহরতলিতে দুটি থেকে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ২০ করতে হবে, আর টিকিট পাওয়ার জন্য হ্যাংলামি করা যাবে না- ২০২৫ সালের শেষদিনে ছাব্বিশের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, বুধবার দুপুরে সায়েন্স সিটিতে কলকাতা ‘মহানগর কর্মী সম্মেলন'-র পাশাপাশি তিনদিনের বঙ্গ সফরে যে একগুচ্ছ বৈঠক করেছেন, তাতে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য একের এক পর নির্দেশ দেন তিনি। সেরকমভাবেই কলকাতা ও সংলগ্ন শহরতলির ২৮টি বিধানসভা আসনের মধ্যে কমপক্ষে ২০টিতে জিতে হবে বিজেপিকে। সেইসঙ্গে নেতাদের নির্দেশ দিয়ে শাহ স্পষ্ট বলেছেন যে টিকিটের জন্য তদ্বির না করে তৃণমূল স্তরে কাজ করতে হবে। জোর দিতে হবে জনসংযোগ এবং প্রচারের উপরে। আগতে থাকতে হবে বুথ। ভালো কাজ করলে এমনিই টিকিট পাওয়া যাবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন শাহ।

কলকাতা ও শহরতলিতে বাজিমাত করতেই হবে, নির্দেশ শাহের
আর তিনি সেইসব নির্দেশ দিয়েছেন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন জয়ের লক্ষ্যে। সেই লক্ষ্যপূরণের জন্য কলকাতা ও সংলগ্ন শহরতলিতেও দাঁত ফোটাতে হবে বিজেপিকে।
সূত্রের খবর, বুধবার দুপুরে সায়েন্স সিটিতে যে কলকাতা ‘মহানগর কর্মী সম্মেলন’-র আয়োজন করা হয়েছিল, তাতে শাহ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে ওই ২৮টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ২০টিতে জিততেই হবে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দুটি বিধানসভায় লিড ছিল বিজেপির। ২০২৬ সালে কমপক্ষে ২০টি আসনে জিততেই হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন শাহ।
অনুপ্রবেশ ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতিতে সবথেকে বেশি জোর
এমনিতে এবার বঙ্গ সফরে এসে শাহ মোটামুটি বিজেপির প্রচারের সুর বেঁধে দিয়ে গিয়েছেন। মূলত অনুপ্রবেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির উপরে জোর দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের যে ঘটনা ঘটছে, তা নেহাতই রাজ্যের বিষয় নয়। পুরো বিষয়টির সঙ্গে ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িয়ে আছে। তাই পশ্চিমবঙ্গে এমন মজবুত সরকারের প্রয়োজন আছে, যে সরকার সীমান্ত দিয়ে চিরকালের মতো অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেবে। আর সেই কাজটা বাস্তবায়নের জন্য একটি রাষ্ট্রীয় গ্রিড তৈরি করা হবে। তার ফলে সীমান্ত দিয়ে মানুষ কেন, একটি পাখিও পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে পারবে না বলে আশ্বস্ত করেন শাহ।
সেই রেশ ধরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য মমতা সরকার জমি দেয় না কেন্দ্রকে। আর পুরো ভারতে একমাত্র একটি সরকারই এরকম কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গে যে অনুপ্রবেশ ঘটছে, তাতে প্রশ্রয় দিচ্ছেন মমতাই। সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।












