Bangladeshi Infiltration: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যুতে আজ বড় বৈঠকে শাহ, উপস্থিত বাংলার সীমান্তবর্তী জেলার এসপিরা

সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ রোধে গৃহীত পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হবে শাহের ডাকা বৈঠকে। পাশাপাশি অনুপ্রবেশের কারণে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জনবিন্যাসে কোনও পরিবর্তন ঘটছে কি না, সেই বিষয়েও তথ্যভিত্তিক আলোচনা হবে।

Published on: Jul 9, 2026, 13:25:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bangladeshi Infiltration Update: আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা, অনুপ্রবেশ রোখা এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির পরিবর্তিত জনবিন্যাস নিয়ে আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের সমস্ত আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশ সুপাররা। বৈঠকে সীমান্ত সুরক্ষা, বেড়া নির্মাণের অগ্রগতি, ড্রোন হামলা, মাদক পাচার এবং সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে।

সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ রোধে গৃহীত পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হবে শাহের ডাকা বৈঠকে। (Saikat Paul)
সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ রোধে গৃহীত পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হবে শাহের ডাকা বৈঠকে। (Saikat Paul)

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সীমান্ত ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সীমান্ত লাগোয়া জেলার পুলিশ সুপারদের কাছ থেকে অনুপ্রবেশের বর্তমান পরিস্থিতি, বেড়া নির্মাণের অগ্রগতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নীতি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হতে পারে।

শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, জম্মু-কাশ্মীর, পঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাত, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির পুলিশ সুপারদেরও এই বৈঠকে ডাকা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির নিরাপত্তা পরিস্থিতির পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের অভিজ্ঞতা এবং চ্যালেঞ্জ সম্পর্কেও তাঁদের মতামত নেওয়া হবে।

সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ রোধে গৃহীত পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হবে শাহের ডাকা বৈঠকে। পাশাপাশি অনুপ্রবেশের কারণে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জনবিন্যাসে কোনও পরিবর্তন ঘটছে কি না, সেই বিষয়েও তথ্যভিত্তিক আলোচনা হবে। কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে, এই ধরনের পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সেই কারণেই বিষয়টি বিশেষভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক পাচারের ঘটনা বেড়েছে বলে বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এসেছে। এই নতুন ধরনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উপরও জোর দেওয়া হবে বৈঠকে। সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে উন্নত সেন্সর, ক্যামেরা, ড্রোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ কতটা এগিয়েছে, কোথায় এখনও কাজ বাকি রয়েছে এবং সেই কাজ দ্রুত শেষ করতে কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজন, তা নিয়েও রিপোর্ট পর্যালোচনা করবেন অমিত শাহ। সীমান্তকে আরও সুরক্ষিত করতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্ত মিলিয়ে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার এলাকায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের অনুপ্রবেশের ফলে পূর্ব ভারতের কয়েকটি রাজ্যে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটেছে। সম্প্রতি এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উচ্চস্তরের একটি কমিটিকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজকের বৈঠকে সেই বিষয়েও বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক তথ্য ও রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হতে পারে। নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করতেই এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More