Aniket Mahata-RG Kar Protest: আরজি কর আন্দোলনের সঙ্গে ‘অসংগতিপূর্ণ’, বড় অভিযোগ তুলে জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট ছাড়লেন অনিকেত
পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের বোর্ড অফ ট্রাস্ট থেকে পদত্যাগ করলেন অনিকেত মাহাতো। আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম 'মুখ' হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। তাঁর পোস্টিং নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘাতও হয়েছিল। তবে মামলায় জেতেন অনিকেত।
পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টে ফাটল ধরল। জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের বোর্ড অফ ট্রাস্ট থেকে পদত্যাগ করলেন আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম 'মুখ' হিসেবে পরিচিত অনিকেত মাহাতো। যিনি পদত্যাগপত্রে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ট্রাস্টের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ হচ্ছিল। ট্রাস্টের যে গতিপ্রকৃতি, তা আরজি কর আন্দোলনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বলে দাবি করেছেন অনিকেত। তবে ঠিক কোন কোন বিষয়ে মতবিরোধ, মতানৈক্য হচ্ছিল, তা খোলসা করে বলেননি। শুধুমাত্র ‘অগণতান্ত্রিক’ কাজের অভিযোগ তুলেছেন অনিকেত।

‘বেদনাদায়ক সিদ্ধান্ত’, বললেন ‘হতাশ’ অনিকেত
পদত্যাগপত্রে যে চিঠি দিয়েছেন অনিকেত, তাতে বলেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আপনাদের জানাচ্ছি যে শেষপর্যন্ত আমায় ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের বোর্ড অফ ট্রাস্ট এবং এই ট্রাস্টের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে হচ্ছে। এ ধরনের একটা বেদনাদায়ক সিদ্ধান্ত যে আমায় নিতে হবে, এর আগে আমি ভাবিনি।’
‘বারবার আপত্তির কথা জানিয়েছি….’, বললেন অনিকেত
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ট্রাস্ট এবং এক্সিকিউটিভ কমিটির সুনির্দিষ্ট সম্পর্ক ঠিক না করে, আইনি পরামর্শ উপেক্ষা করে, যেভাবে ওই কমিটি তৈরি করা হচ্ছে, সেটা আমি মনে করি (যে) সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক এবং এর সঙ্গে অভয়ার ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলনও সংগতিপূর্ণ নয়। আমি এ বিষয়ে আমার আপত্তির কথা বারবার জানিয়েছি, আইনি পরামর্শ নেওয়ার কথা বলেছি, তাতে আপনারা কর্ণপাত করেননি।’
পোস্টিং মামলায় অনিকেতের কাছে হারের কাছে হ্যাটট্রিক রাজ্যের
উল্লেখ্য, আরজি কর আন্দোলনের আবহেই পোস্টিং নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছিলেন অনিকেত। গত মাসেই তাঁর পক্ষে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের পরে সুপ্রিম কোর্টেও 'জয়' হয় অনিকেতের। হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে অনিকেতকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালেই পোস্টিংয়ের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ আরজি কর আন্দোলনের প্রতিবাদী চিকিৎসককে রায়গঞ্জে যেতে হবে না। তিনি আরজি করেই কাজ করতে পারবেন।
আর সেই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য রাজ্য সরকারকে দু'সপ্তাহের ডেডলাইনও বেঁধে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি জেকে মহেশ্বরী এবং বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায় যে দু'সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে সেই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। সবমিলিয়ে অনিকেতের মামলায় হারের হ্যাটট্রিক করেছে রাজ্য সরকার।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


