Blood Selling Racket: আতশকাচের নিচে ক্লাব-সংস্থা! ব্লাড ব্যাঙ্ক নিয়ে তদন্তে দুর্নীতির পর্দাফাঁস,রক্তদান শিবিরের কার্ড...

Blood Selling Racket Busted: তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন রক্তদান শিবিরের দিকে নজর থাকত অভিযুক্তদের। রক্তদান কর্মসূচির আয়োজক ক্লাব বা সংস্থার কাছে পৌঁছে যেতেন দালালেরা।

Published on: Aug 25, 2026, 19:49:10 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Blood Selling Racket Busted: রক্তের দালালরাজ বন্ধ করতে অল আউট অ্যাকশনে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা (ACB)। পাড়ার কোনও ক্লাব হোক বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রক্তদান শিবির, খোঁজ পেতেই পৌঁছে যেতেন তাঁরা। তারপর কম দামে আয়োজকদের কাছ থেকে রক্তদানের কার্ড কিনতে। পরে সেই সমস্ত কার্ড দিয়ে বিভিন্ন ব্লাড ব‍্যাঙ্ক থেকে বিনামূল্যে রক্ত নিয়ে চড়া দামে রোগী এবং রোগী পরিজনদের বিক্রি করা হত। রক্ত বিক্রির অভিযোগের তদন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য এল দুর্নীতি দমন শাখার হাতে।

ব্লাড ব্যাঙ্ক নিয়ে তদন্তে দুর্নীতির পর্দাফাঁস
ব্লাড ব্যাঙ্ক নিয়ে তদন্তে দুর্নীতির পর্দাফাঁস

দালাল চক্রের পর্দা ফাঁস

সম্প্রতি কলকাতার একটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে স্বাস্থ্য দফতর। সেই নিয়ে জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। এই আবহে কিছুদিন আগেই রোগী ও তাঁদের পরিজনদের কাছে বেআইনিভাবে রক্ত বিক্রির অভিযোগে পাঁশকুড়ার এক দালালকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিযোগ, তিনি রোগী এবং রোগী পরিজনদের অবৈধ ভাবে রক্ত কিনতে সাহায্য করতেন। পুলিশের দাবি, রক্ত বিক্রির চক্রে দালাল হিসেবে কাজ করতেন অভিযুক্ত। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য উঠে আসে। সেই ঘটনার সূত্র ধরেই তদন্তে নামে এসিবি। অসৎ কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে পাঁশকুড়া থেকে তিন জন সহকারী পরীক্ষককেও (ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান) গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত ওই দালাল-সহ আরও বেশ কয়েকজন দালালের সঙ্গে পাঁশকুড়া এসএসএইচ-এর ওই তিন ল্যাব টেকনিশিয়ানের একটি গভীর ও অনৈতিক আঁতাত ছিল।

শুধু তাই নয়, তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন রক্তদান শিবিরের দিকে নজর থাকত অভিযুক্তদের। রক্তদান কর্মসূচির আয়োজক ক্লাব বা সংস্থার কাছে পৌঁছে যেতেন দালালেরা। সেখান থেকে তারা মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দিয়ে রক্তদাতার কার্ড কিনে আনত। এরপর সেই কার্ডগুলি ব্যবহার করে ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রক্ত সংগ্রহ করে নিত। সংগৃহীত সেই রক্তই অসহায় রোগী ও তাঁদের পরিজনদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করা হতো বলে অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, রোগীর পরিবারদের কাছ থেকে পাওয়া সেই অবৈধ টাকা দালাল এবং ল্যাব টেকনিশিয়ানদের মধ্যে নিয়মিত ভাগবাঁটোয়ারা হতো। এই ভাবে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার লেনদেনর হদিস পেয়েছেন রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকেরা। তবে এটা প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্য। তদন্তকারীদের অনুমান, বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত, এই চক্রের জাল ঠিক কতদূর বিস্তৃত এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে এসিবি। তাই এই মুহূর্তে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা বিভিন্ন ক্লাব এবং সংস্থাও তাঁদের আতশকাচের নিচে রয়েছে।