WB Election vs School Education: স্কুলকে যেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যারাক বানানো না হয়, ভোটের আগেই কমিশনকে চিঠি
আগামিকালই পশ্চিমবঙ্গে চলে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৪০ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের কোথায় রাখা হবে, স্কুলে রাখা হবে কিনা, তা নিয়ে চিঠি গেল নির্বাচন কমিশনের কাছে।
পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই ফের আলোচনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন। নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে ভোটার এবং ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিকে স্বাগত জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে এবার সেই বাহিনী মোতায়েন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের (সিইও) কাছে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ দাবি পেশ করা হল রাজ্যের শিক্ষক সংগঠন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারীর নেতৃত্বে এই দাবিপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘কোনওভাবেই যেন শিক্ষাবর্ষের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্কুলগুলোকে ব্যারাকে পরিণত করা না হয়।’

'মাসের পর মাস পঠন-পাঠন বন্ধ থাকে স্কুলে'
ওই শিক্ষক সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কারণ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সাধারণ মানুষের মনে ভরসা জোগানো প্রয়োজন। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের থাকার জায়গা নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে। কারণ প্রতিবারই নির্বাচনের সময় রাজ্যের সরকারি বিদ্যালয়গুলিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার জায়গায় পরিণত করা হয়। এর ফলে দিনের পর দিন, এমনকী মাসের পর মাস স্কুলগুলোতে পঠন-পাঠন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে বলে দাবি করা হয়েছে শিক্ষক সংগঠনের তরফে।
'পড়ুয়ারা কোথায় যাবে?', প্রশ্ন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সম্পাদক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাসের পর মাস সরকারি স্কুলগুলোকে এভাবে ব্যবহার করার ফলে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এমনিতেই রাজ্যের বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের আকাল। তার ওপর হাজার-হাজার শিক্ষককে বিএলওয়ের ডিউটি দিয়ে পঠন-পাঠন থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে স্কুল ভবনগুলোও যদি দখল হয়ে যায়, তবে পড়ুয়ারা কোথায় যাবে?’
বিকল্প কোন কোন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রাখা যেতে পারে?
সেই আবহে বিকল্প কোন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা থাকতে পারেন বা তাঁদের রাখা হয়, সেরকম প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কাছে। শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে কোন বিকল্প দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা দেখে নিন -
১) অব্যবহৃত সরকারি ভবন: রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে বহু কিষাণ মান্ডি ও অডিটোরিয়াম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেগুলিকে জওয়ানদের থাকার কাজে ব্যবহার করো হোক।
২) অস্থায়ী তাঁবু: প্রয়োজনে খোলা জায়গায় অস্থায়ী ক্যাম্প বা আধুনিক তাঁবু তৈরি করে বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা করা হোক।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


