Bally Halt Station Latest Update: বালি হল্টে বাড়ছে প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা, হচ্ছে আরও একাধিক পরিকাঠামোগত উন্নয়ন

শিয়ালদহ-ডানকুনি শাখার বালি হল্ট স্টেশনটি রেললাইনের উড়ালপথের পাশেই তৈরি হয়েছে। হাওড়া-বর্ধমান শাখার কর্ড ও মেন লাইনের ট্রেন ধরতে অনেক যাত্রীকে বালি হল্ট থেকে সিঁড়ি দিয়ে নেমে বালি স্টেশনে যেতে হয়। আবার উল্টো দিকের ট্রেন ধরতে বালি স্টেশন থেকে উঠে বালি হল্টে আসেন যাত্রীরা।

Published on: Sep 3, 2026, 12:29:29 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

একাধিক গন্তব্যে যেতে ট্রেন বদলের জন্য প্রতিদিন শিয়ালদহ ডিভিশনের বালি হল্ট স্টেশন ব্যবহার করেন কয়েক হাজার যাত্রী। কিন্তু এত দিন এই স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা তুলনামূলক কম হওয়ায় ট্রেনে ওঠানামার সময় সমস্যায় পড়তে হত যাত্রীদের। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু ও শারীরিকভাবে দুর্বল যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও প্রকট ছিল। এবার সেই সমস্যা মেটাতে বালি হল্ট স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ করেছে রেল।

এত দিন বালি হল্টের প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা ছিল প্রায় ৭৬ থেকে ৮০ সেন্টিমিটারের মধ্যে।
এত দিন বালি হল্টের প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা ছিল প্রায় ৭৬ থেকে ৮০ সেন্টিমিটারের মধ্যে।

শিয়ালদহ-ডানকুনি শাখার বালি হল্ট স্টেশনটি রেললাইনের উড়ালপথের পাশেই তৈরি হয়েছে। হাওড়া-বর্ধমান শাখার কর্ড ও মেন লাইনের ট্রেন ধরতে অনেক যাত্রীকে বালি হল্ট থেকে সিঁড়ি দিয়ে নেমে বালি স্টেশনে যেতে হয়। আবার উল্টো দিকের ট্রেন ধরতে বালি স্টেশন থেকে উঠে বালি হল্টে আসেন যাত্রীরা। ফলে দুই স্টেশনের মধ্যে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বালি হল্ট গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে।

এত দিন বালি হল্টের প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা ছিল প্রায় ৭৬ থেকে ৮০ সেন্টিমিটারের মধ্যে। রেলের নিয়ম অনুযায়ী, অত্যন্ত ব্যস্ত স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা সাধারণত ৮৪ থেকে ৯০ সেন্টিমিটারের মধ্যে রাখা হয়। ট্রেনের কামরার মেঝের কাছাকাছি এই উচ্চতা থাকায় যাত্রীদের ওঠানামা তুলনামূলক সহজ হয়। কিন্তু বালি হল্টের কম উচ্চতার কারণে ট্রেনে ওঠার সময় অনেক যাত্রীকে অতিরিক্ত ঝুঁকি নিতে হত।

এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে স্টেশনের দু’টি প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বাড়ানোর কাজ শুরু করেছে রেল। একই সঙ্গে প্ল্যাটফর্মগুলির প্রশস্ততাও বাড়ানো হয়েছে। ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম প্রায় তিন মিটার এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম প্রায় দু’মিটার চওড়া করা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীদের চলাচলের জায়গা বাড়ার পাশাপাশি ভিড় সামলানোও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুধু প্ল্যাটফর্ম সংস্কারেই থেমে থাকছে না রেল। যাত্রী পরিষেবার মান বাড়াতে স্টেশনে নতুন পানীয় জলের কল বসানো হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে নতুন শৌচালয় এবং যাত্রীদের বসার জন্য বেঞ্চও রাখা হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের এতে সুবিধা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে স্টেশনে একটি নতুন ফুট ওভারব্রিজ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

রেলের এই উদ্যোগ শুধু বালি হল্টেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। শিয়ালদহ ডিভিশনের মোট ২০টি হল্ট স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিভিশনের রেলওয়ে ম্যানেজার রাজীব সাক্সেনা। হল্ট স্টেশনগুলিতে প্ল্যাটফর্ম উঁচু করার পাশাপাশি যাত্রীদের ওঠানামা আরও নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ করতে বিশেষ ধরনের টাইলস বসানো হচ্ছে।

রেল সূত্রের এই পদক্ষেপে বালি হল্টের নিত্যযাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষকে ট্রেন বদলের জন্য এই স্টেশন ব্যবহার করতে হয়। ফলে প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বৃদ্ধি, চলাচলের জায়গা সম্প্রসারণ এবং পানীয় জল, শৌচালয় ও বসার ব্যবস্থার মতো পরিষেবা যুক্ত হওয়ায় যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য অনেকটাই বাড়বে। পাশাপাশি নিরাপদে ট্রেনে ওঠানামার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সমস্যারও সমাধান হবে বলে আশা করছে রেল।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More