Bangla Pokkho: 'বাঙালিদের' সমাবেশ কলকাতা, বাংলা পক্ষের হুংকার 'ভোটে না থাকলেও নির্ণায়ক হব আমরা'

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতার ধর্মতলায় সমাবেশ করল বাংলা পক্ষ। ভিনরাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরে মারধরের যে অভিযোগ উঠেছে, তার পাশাপাশি ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) নিয়ে বাংলা পক্ষের সমাবেশ থেকে বার্তা দেওয়া হয়।

Published on: Jan 12, 2026, 20:33:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতার ধর্মতলায় সমাবেশ করল বাংলা পক্ষ। ভিনরাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরে মারধরের যে অভিযোগ উঠেছে, তার পাশাপাশি ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) নিয়ে বাংলা পক্ষের সমাবেশ থেকে বার্তা দেওয়া হয়। বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলা পক্ষ ভোটে না থাকলেও, বাংলা পক্ষ বাংলার বিধানসভা ভোটে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করবে। বাঙালির স্বার্থে লড়াই করা এবং বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলায় কাজ পাইয়ে দেওয়ার লড়াই চলবে। ২০২৬ সালে বাঙালির শত্রুদের ভোটে ধুলিস্যাৎ করতে ময়দানে থাকবে বাংলা পক্ষ। বাংলায় চাকরি- কাজ- টেন্ডার ও সর্বত্র ৯০ শতাংশ ভূমিপুত্র সংরক্ষণকেই পাখির চোখ করছে বাংলা পক্ষ।’

বাংলা পক্ষের সমাবেশ কলকাতায়।
বাংলা পক্ষের সমাবেশ কলকাতায়।

একইসুরে বাংলা পক্ষের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, ‘বাংলা পক্ষর আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এত বড় সমাবেশ করা দেখাল বাংলা পক্ষ। ভোটে লড়া দল না হয়েও বাংলা পক্ষর ডাকে হাজারে-হাজারে বাঙালি ছুটে এল এই সমাবেশে। আমরা রাজনৈতিক দলগুলোক পরিষ্কার বলছি- এই দেওয়াল লিখন পড়ুন। বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক, বাঙালির চাকরি -কাজ-ব্যবসা, বাঙালি রেজিমেন্ট, ভূমিপুত্র প্রার্থী ইত্যাদি জ্বলন্ত ইস্যুগুলোকে আমরা ভোটের ইস্যু করেই ছাড়ব৷’

সেইসঙ্গে বাংলা পক্ষের তরফে রাজনৈতিক দলগুলিকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে বাংলায় হিন্দি-উর্দু তোষণ চলবে না৷ বাংলায় রাজনীতি করতে গেলে বাঙালিকেই প্রাধান্য দিতে হবে। আবার বাংলা পক্ষের তরফে হুংকার দেওয়া হয়েছে যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মস্থান জোড়াসাঁকো এবং জামুড়িয়ায় কোনও বহিরাগত বিধায়ক চলবে না। বিবেক গুপ্তা ও হরেরাম সিং বা অন্য কেউ বহিরাগত প্রার্থী হলে তাঁকে হারাতে মাঠে নেমে লড়বে বাংলা পক্ষ।

তারইমধ্যে সমাবেশে দু'জন মহিলা বক্তা শীর্ষ পরিষদ সদস্যা করবী রায় ও জাতীয় কর্ম সমিতির সদস্যা প্রীতি মিত্রর বক্তব্যে বারবার বাঙালি নারীর নিরাপত্তা, স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালি নারীর ভূমিকা এবং আগামীতে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে বাঙালি হিসেবে নারীদের কী কী ভূমিকা নিতে হবে, সেই কথা উঠে আসে। বাঙালি ছাড়াও রাজবংশী, লেপচা, সাঁওতাল, রাভা ইত্যাদি ভূমিপুত্র জাতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিল এই সমাবেশে।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More