Nadia-Bhawanipore Final Voter List: বাংলাদেশ লাগোয়া জেলায় কাটা গেল ২.৭১ লাখ নাম! মমতার কেন্দ্রেই ৪৭,০৯৮ ভোটার বাদ
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হল পশ্চিমবঙ্গে। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও পর্যন্ত মোট ৪৭,০৯৪ জন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। গত ডিসেম্বরে যখন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, তখন বাদ পড়েছিল ৪৪,৭৮৫ জনের নাম।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪৭,০০০ জনের নাম বাদ পড়েছে।একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও পর্যন্ত মোট ৪৭,০৯৪ জন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। গত ডিসেম্বরে যখন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, তখন বাদ পড়েছিল ৪৪,৭৮৫ জনের নাম। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় (চূড়ান্ত হলেও অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা, আরও তালিকা প্রকাশিত হবে) আরও ২,৩২৪ জনের নাম বাদ পড়েছে। সেইসঙ্গে ১৪,১৫৪ জনের নাম বিচারাধীন তালিকায় আছে। তাঁদের ভাগ্য নির্ভর করছে জুডিশিয়াল অফিসার বা বিচারকদের উপরে।

এমনিতে আজ যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত করছে নির্বাচন কমিশন, তা সম্পূর্ণ নয়। আরও একাধিক তালিকায় প্রকাশ করা হতে পারে। ফলে শেষপর্যন্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে কতজন ভোট দিতে পারবেন, তা এখনও নির্ধারিত হতে বাকি আছে।তাছাড়াও যে ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে বা মুছে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা আবার আবেদন করতে পারবেন। ফলে তাঁদের নামও পরবর্তী তালিকায় যুক্ত হতে পারে।
নদিয়ায় কোন ভোটারের নাম বাদ গেল?
সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নদিয়ায় ২.৭১ লাখ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। বাংলাদেশ লাগোয়া ওই জেলায় আপাতত ভোটারের সংখ্যা কমে ৪১.৪৫ লাখে ঠেকেছে। গত ৪ নভেম্বর এসআইআর (ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সময় ওই জেলায় ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪৪.১৮ লাখ। আর ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকায় ওই সংখ্যাটা ৪২.০২ লাখ ছিল।
৭ বিধানসভা থেকে ৪.০৭ লাখ নাম বাদ
কমিশনের সূত্র উদ্ধৃত করে পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, উত্তর কলকাতা জোনে ৪.০৭ লাখের মতো নাম কাটা গিয়েছে। যে এলাকার সাতটি বিধানসভাই আছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে।
রাজ্যের অন্যান্য জেলায় ছবিটা কীরকম?
১) জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আপাতত বাঁকুড়ায় প্রায় ১.১৮ লাখ ভোটারের নাম কাটা গিয়েছে। জেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ২৯.১৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। যা এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে ছিল ৩০,৩৩,৮৩০।
২) উত্তরবঙ্গের জেলা আলিপুরদুয়ারে আপাতত বাদ পড়েছে ১,০২,৮৩৫ জনের নাম। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আপাতত ১১,৯৬,৬৫১ জনের নাম।
৩) তারইমধ্যে কমিশনের সূত্র উদ্ধৃত করে ওই সংবাদসংস্থার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সম্ভবত মোট ৬৬ লাখ ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। খসড়া ভোটার তালিকায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম গিয়েছিল। সেইসঙ্গে আরও আট লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


