বাংলাদেশি দম্পতির কীর্তির পর্দাফাঁস! বেঙ্গালুরুতে কী চলছিল? শেষে সীমান্তে এসে…

নথি দেখে সন্দেহ হয় অভিবাসন দফতরের অফিসারদের। এরপর চলে জেরা।

Published on: Apr 5, 2026, 21:49:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দেশে অবৈধ বাংলাদেশিদের ঘিরে ধরপাকড় বহুদিন ধরেই চলেছে। এবার শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফুলবাড়ির বাংলাবান্ধা সীমান্তে এক বাংলাদেশি দম্পতি ও তাঁদের নাবালিকা কন্যা এসে পৌঁছতেই দম্পতির অবৈধ কর্মকাণ্ডের কীর্তি ফাঁস হয়। তাঁদের নথি দেখেই অভিবাসন দফতরের সন্দেহ হতেই দীর্ঘ জেরা চলে। আর জেরার পরই আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

বাংলাদেশি দম্পতির কীর্তির পর্দাফাঁস! বেঙ্গালুরুতে কী চলছিল? শেষে সীমান্তে এসে…
বাংলাদেশি দম্পতির কীর্তির পর্দাফাঁস! বেঙ্গালুরুতে কী চলছিল? শেষে সীমান্তে এসে…

পুলিশ জানাচ্ছে, বাংলাদেশের মঠেরগঞ্জ এলাকা থেকে আজম আলি আসেন। তিনি ভারতে আসেন মূলত চিকিৎসার জন্য। আজম আলি যখন ভারতে আসেন, তখন সাল ২০১৬। এরপর গঙ্গা পদ্মা দিয়ে বয়ে গিয়েছে বহু জলরাশি। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ দেখেছে অভ্যুত্থানের অগ্নিগর্ভ সময়কাল। এদিকে, ২০১৬ সালে ভারতে আসা আজম আলির পরিবার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও ভারতে থেকে যায়। পুলিশ সূত্রের খবর, এরপর তারা বেঙ্গালুরুতে জাল নথি বানিয়ে নিয়ে ভারতে থেকে যায়। সেই নথির ভিত্তিতে বেঙ্গালুরু একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চাকরি করতে শুরু করেন আজম আলি। আজম আলি পরিবার নিয়েও বাস করতে শুরু করেন বেঙ্গালুরুতে।

এরপর, সদ্য আজম আলি ও তাঁর পরিবার ভুয়ো পাসপোর্ট নিয়ে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশ যেতে চান। সীমান্তে পৌঁছতেই অভিবাসন দফতরের কাছে তাঁরা ওই পাসপোর্ট জমা দেন। নথি দেখে সন্দেহ হয় অভিবাসন দফতরের অফিসারদের। এরপর চলে জেরা। জেরার মুখেই সমস্ত ঘটনার কথা জানিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে পুরনো নথি ও তথ্য। বেলা গড়াতেই অভিবাসন দফতর নিশ্চিত হয় যে পরিবারটি আসলে বাংলাদেশের পরিবার। গোটা পরিবারকে গ্রেফতার করেছে অভিবাসন দফতর। দম্পতির নাবালিকা কন্যাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর এনজেপি থানায় ধৃতদের তুলে দেয় পুলিশ। রবিবার ধৃতদের জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে নিয়ে যায় পুলিশ। আপাতত তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More