Bangladeshi Prisoner: পুলিশি ঘেরাটোপ থেকে হাত ছাড়িয়ে পালাল বাংলাদেশি বন্দি! মিশে গেল ভিড়ে, জারি অ্যালার্ট
বহরমপুরে জারি অ্যালার্ট! সেখানে পুলিশি ঘেরাটোপ থেকে বাংলাদেশি বন্দির পালানোর ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।
মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের গেটের সামনে থেকে পুলিশি ঘেরাটোপ পেরিয়ে পালাল বন্দি। এই বন্দি আবার যে সে, কেউ নয়! সে বাংলাদেশি। আর পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সর্বসমক্ষে ভিড়ের মধ্যে মিশে গিয়ে পালিয়ে যায় ওই বাংলাদেশি বন্দি।

পলাতক যুবকের নাম সামিউল ইসলাম। ঘটনাস্থল বহরমপুর। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে সামিউলকে গ্রেফতাক করা হয়েছিল। প্রায় ছ’মাস মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি ছিল সামিউল। গ্রেফতারির পর সমিউলকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে।
এদিন ধৃত সামিউলকে নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের একটি টিম যাচ্ছিল হাসপাতালের দিকে। হাসপাতালের গেটের সামনে নামার সময়ই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালায় সমিউল। সকলের সামনেই পুলিশের ঘেরাটোপ থেকে পালিয়ে ভিড়ের মধ্যে মিশে যায় সামিউল। জানা যাচ্ছে, এক ঝটকায় পুলিশের হাত থেকে নিজেকে নিমেষে ছাড়িয়ে নেয় সামিউল। এরপরই ভিড়ে মিশে যায় সে। ততক্ষণে পুলিশও তৎপর হয়। তবে শেষমেশ পুলিশ খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে সমিউলের জন্য।
ঘটনা ঘিরে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতাল চত্বরেও শোরগোল পড়ে যায়। অন্যদিকে সমিউলের পিছনে ধাওয়া করে পুলিশ। তবে সমিউলকে পাকড়াও করা যায়নি। দিনে দুপুরে পুলিশের হাত থেকে কী ভাবে বন্দি পালাল, তা নিয়ে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ঘটনার পরই বহরমপুর শহর জুড়ে হাই-অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পলাতক বাংলাদেশি বন্দির খোঁজে বহরমপুরের বিভিন্ন মোড় ও নাকা পয়েন্টগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। সীমান্তবর্তী থানাগুলিকেও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এলাকায় রয়েছে চাঞ্চল্য।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


