Bangladeshi Infiltrator in Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি, সঙ্গে ধরা পড়ল অনুপ্রবেশে মদত দেওয়া ভারতীয় ব্যক্তি
ধৃত বাংলাদেশির নাম মহম্মদ জাহির হোসেন। এদিকে জাহিরকে অনুপ্রবেশে সাহায্য করায় গ্রেফতার করা হয়েছে রবিউল ইসলাম নামে এক ভারতীয়কে। রবিউল এবং জাহিরকে মুর্শিদাবাদের তারানগরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ২৭ ডিসেম্বর ভোরে।
অনুপ্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশিকে ধরল পালিশ। ঘটনাটি ঘটেছে লালগোলায়। জানা গিয়েছে, ধৃত বাংলাদেশির নাম মহম্মদ জাহির হোসেন। এদিকে জাহিরকে অনুপ্রবেশে সাহায্য করায় গ্রেফতার করা হয়েছে রবিউল ইসলাম নামে এক ভারতীয়কে। রবিউল এবং জাহিরকে মুর্শিদাবাদের তারানগরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ২৭ ডিসেম্বর ভোরে। ধৃতদের জেরা করে আরও তথ্য বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ। চলছে তদন্ত।

ধৃত বাংলাদেশি জাহিরের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জে। পুলিশ জানায়, জাহিরের কাছ থেকে কোনও বৈধ নথি পাওয়া যায়নি বলে গ্রেফতার করা হয়। এই আবহে ২৭ ডিসেম্বর ধৃতদের লালগবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। জাহিরের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে অবৈধ অনুপ্রবেশ করার দায়ে। জাহির এবং রবিউল উভয়কেই পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক। ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য জাহিরের কোনও কুমতলব আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা চলছে। এদিকে অনুপ্রবেশের সময় জাহিরকে শুধুমাত্র একজনই সাহায্য করেছিল নাকি এটা একটা গোটা চক্র, তাও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
এর আগে সম্প্রতি নদিয়ার গেদে সীমান্ত দিয়ে ১৪ জন অবৈধবাসী বাংলাদেশিকে পাঠানো হয় বাংলাদেশে। বিএসএফ এই অবৈধবাসীদের পুশব্যাক করেছে সীমান্তে। জানা গিয়েছে, সেই ১৪ জনের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ২টি শিশু আছে। এই অবৈধবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে ওড়িশায় থাকত বলে জানা গিয়েছে। পরে তাদের বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ গ্রেফতার করে। নদিয়ার সীমান্তে পাঠানো হয় তাদের।
এদিকে রাজ্যে ভোটার তালিকার এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন বহু অবৈধবাসী বাংলাদেশি নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য সীমান্তে ভিড় জমিয়েছিলেন। এই আবহে কয়েক হাজার বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে গিয়েছেন। উল্লেখ্য, বাংলায় এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকেই নাকি কলকাতা এবং আশেপাশের এলাকায় বহু অবৈধভাবী বাংলাদেশি পালিয় গিয়েছে। এই নিয়ে সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন রিপোর্ট নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। এই আবহে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগরের কাছে হাকিমপুর চেকপোস্টে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভিড় চোখে পড়েছিল। এদের অনেকের কাছে ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল। আবার অনেকের কাছে কোনও নথি নেই। তবে এই সকলেই অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন বছরের পর বছর।
প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ক্রমাগত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরে ধরে পুশ ব্যাক করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে প্রথমদিকে বেশ আপত্তি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এখন সেরকম কোনও আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না কাঁটাতারের ওপার থেকে। এদিকে বাংলাদেশিদের পুশব্যাক করার বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, ভারতীয় মুসলিমদের বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করা হচ্ছে। এই নিয়ে বীরভূমের বাসিন্দা সোনালির উদাহরণ তুলে ধরছে তারা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


