Bangladeshi Infiltrators Beaten: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরে 'উচিত শিক্ষা' ভারতীয়দের, পরে আটক করল বিএসএফ

আটক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা হল - লিটন মিয়া (৪০), অহেদ আলী (২৮), সার্থক হোসেন (২৫), আশরাফুল ইসলাম (৩০), মশিউর রহমান (৩০) ও জসিনুর রহমান (২৮)। চিকিৎসা শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হবে।

Published on: Feb 05, 2026 12:15 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে গিয়ে মথাভাঙায় গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়ল ৬ জন বাংলাদেশি। তারপর তাদের মারধর করে গ্রামবাসীরা। পরে বিএসএফ সেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আপাতত এই অনুপ্রবেশকারীরা চিকিৎসাধীন আছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ২ ফেব্রুয়ারি। আটক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা হল - লিটন মিয়া (৪০), অহেদ আলী (২৮), সার্থক হোসেন (২৫), আশরাফুল ইসলাম (৩০), মশিউর রহমান (৩০) ও জসিনুর রহমান (২৮)। চিকিৎসা শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হবে।

অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে গিয়ে মথাভাঙার গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়ল ৬ জন বাংলাদেশি।
অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে গিয়ে মথাভাঙার গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়ল ৬ জন বাংলাদেশি।

জানা গিয়েছে, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা থানার বৈরাগিরহাট ও জুগিরডাঙ্গা এলাকায় অনুপ্রবেশ করেছিল ৬ বাংলাদেশি। গরু পাচারকারীদের সাহায্যে এই বাংলাদেশিরা ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল। পরে স্থানীয়রা অনুপ্রবেশকারীদের ধরে ফেলে। এই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। তাতে দেখা যায়, অনুপ্রবেশকারীদের মারধর করেন গ্রামবাসীরা।

পরে বিএসএফের ১৫৬ ফালাকাটা ব্যাটালিয়নের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অনুপ্রবেশকারীদের আটক করেন। এদিকে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে কথা বলেছে বিজিবি। প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ক্রমাগত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরে ধরে পুশ ব্যাক করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে প্রথমদিকে বেশ আপত্তি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এখন সেরকম কোনও আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না কাঁটাতারের ওপার থেকে। এছাড়া চোরাচালান নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বাংলাদেশি পাচারকারীদের ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা গুলি করলে তা নিয়ে আপত্তি রয়েছে ঢাকার। এদিকে নিজেদের দেশের চোরাচালানকারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সময় বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, টাকা নিয়ে পাচারকারীদের ভারতে অনুপ্রবেশের 'অনুমতি' দেয় তারাই। এই আবহে সীমান্তে কড়া নজরদারি বজায় রেখেছে বিএসএফ।