Baruipur Minor Rape-Murder Update: বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়িতে অগ্নিমিত্রা-লকেটের, পরিবারের পাশে থাকার বার্তা

বারুইপুরে যাওয়া বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ। নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন বিজেপি নেত্রীরা। 

Published on: Jul 7, 2026, 10:15:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বারুইপুরে নাবালিকাকে নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই আবহে মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছলেন বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ। নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন বিজেপি নেত্রীরা। পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।

বারুইপুরে যাওয়া বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ।
বারুইপুরে যাওয়া বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ।

পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, পরিবর্তনের পর বাংলায় মানুষ ন্যায়বিচার পাচ্ছেন এবং এই ঘটনাতেও সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। তাঁর কথায়, ‘পরিবর্তনের বাংলায় আমরা চাই, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, প্রত্যেকেই কঠোর শাস্তি পাক। চূড়ান্ত শাস্তিই দেওয়া হবে।’ তিনি আরও দাবি করেন, সরকারের ভূমিকা নিয়ে নির্যাতিতার পরিবার সন্তুষ্ট এবং প্রশাসনের উপর তাঁদের আস্থা রয়েছে।

পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও ঘটনার তদন্ত এবং সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আগের সরকারের আমলে এ ধরনের ঘটনায় আক্রান্ত পরিবারের পাশে প্রশাসন দাঁড়াত না। কিন্তু বর্তমান সরকার শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, ‘আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বারবার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা গ্রামের মানুষ সরকারের উপর ভরসা রাখছেন। আমরা শুধু রাজনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন মানুষের দায়িত্ববোধ থেকেই পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছি।’

বারুইপুরের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রাজ্য সরকার কড়া অবস্থান নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ করবে। তিনি 'ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট' বা মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে সওয়াল করেছেন এবং তদন্ত দ্রুত শেষ করে আদালতে শক্তিশালী মামলা উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন।

ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তিনজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং দ্রুত চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতার চিকিৎসা, নিরাপত্তা এবং পরিবারের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

মঙ্গলবারই নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তার আগে বিজেপির প্রতিনিধি দলের এই সফরকে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক—দুই দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে পরিবারের পাশে থাকার বার্তা, অন্যদিকে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে জনমনে আস্থা বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

বারুইপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা, নারী নিরাপত্তা এবং বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে নির্যাতিতার পরিবারের দাবি একটাই—দোষীদের এমন শাস্তি হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন নৃশংস অপরাধ করার সাহস না পায়। সরকারের আশ্বাস, দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির মাধ্যমে সেই বার্তাই সমাজের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More