Baruipur Victim's Father on Encounter: মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকায় সন্তুষ্ট নির্যাতিতার পরিবার, ‘দাদা কথা রেখেছেন’ বললেন বাবা

এনকাউন্টারের পর নির্যাতিতার বাবা বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা। তিনি আমাকে কথা দিয়েছিলেন, দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না। তাঁর উপর আমার সম্পূর্ণ ভরসা আছে। দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে। আমার বিশ্বাস, আমার মেয়ে বিচার পাবে।'

Published on: Jul 8, 2026, 13:44:51 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Baruipur Victim's Father on Encounter: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী— এমনটাই দাবি করলেন নির্যাতিতার বাবা। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয়েছে পুলিশের এনকাউন্টারে। বাকি অভিযুক্ত দিবাকর মণ্ডল, আনন্দ সর্দার এবং কবীর মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত হবে বলেই তাঁর বিশ্বাস।

বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী— এমনটাই দাবি করলেন নির্যাতিতার বাবা।
বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী— এমনটাই দাবি করলেন নির্যাতিতার বাবা।

রবিবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ১১ বছরের এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার খবর সামনে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ফোনে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার এবং কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেন।

তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর মণ্ডল এবং আনন্দ সর্দারকে গ্রেপ্তার করে। পরে মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট থেকে কবীর মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর ফলে এই মামলায় মোট গ্রেপ্তারির সংখ্যা দাঁড়ায় চার।

এরই মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে অপরাধস্থলের পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রভাস এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে গুরুতর জখম হয় সে। পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর নির্যাতিতার বাবা বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা। তিনি আমাকে কথা দিয়েছিলেন, দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না। তাঁর উপর আমার সম্পূর্ণ ভরসা আছে। দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে। আমার বিশ্বাস, আমার মেয়ে বিচার পাবে।'

অন্যদিকে, এনকাউন্টারে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর পর তার মা এবং স্ত্রীর প্রতিক্রিয়াও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তাঁরা জানান, প্রভাসের কর্মকাণ্ডের জন্য এই পরিণতিই প্রাপ্য ছিল। প্রভাসের স্ত্রী বলেন, 'ও বরাবরই নোংরা স্বভাবের ছিল। কারও কথা শুনত না, নেশা করত, কাজও করত না। বাচ্চা মেয়েটার সঙ্গে যা করেছে, তার শাস্তি পেয়েছে।' একই সুর শোনা গিয়েছে প্রভাসের মায়ের গলাতেও।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের দাবি, এত নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে এবং বাকি অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী দল।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More