BDO Shanu Bakshi: 'বাংলাদেশি পাচারকারীদের যোগাযোগ রয়েছে বিডিও শানু বক্সির', সামনে বিস্ফোরক অভিযোগ
BDO Shanu Bakshi: জেলা বিজেপি সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে শানু বক্সি মোটা টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং অবৈধভাবে জমি ও সম্পত্তি সংগ্রহ করেছেন। পাশাপাশি কীভাবে নম্বর বাড়িয়ে তিনি বিডিও পদে নিযুক্ত হলেন, তা নিয়েও তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব।
BDO Shanu Bakshi Latest Update: মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের বিডিও শানু বক্সিকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশি পাচারকারীদের যোগাযোগ রয়েছে এবং রাষ্ট্রবিরোধী কিছু ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশ করে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন তিনি। এই অভিযোগ সামনে এনে মালদহ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে চলেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জেলা বিজেপি সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে শানু বক্সি মোটা টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং অবৈধভাবে জমি ও সম্পত্তি সংগ্রহ করেছেন। পাশাপাশি কীভাবে নম্বর বাড়িয়ে তিনি বিডিও পদে নিযুক্ত হলেন, তা নিয়েও তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। স্থানীয় থানাতেও অভিযোগ দায়ের করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
এর আগেও শানু বক্সির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববির দাবি, ফলতার তথাকথিত ‘বাহুবলি’ জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি শানু বক্সি ও জাহাঙ্গির খানের কথোপকথনের কিছু স্ক্রিনশট প্রকাশ করে বিজেপির দাবি, জাহাঙ্গিরের মদতেই ফলতার বিডিও হয়েছিলেন শানু। এই আবহে ফলতায় বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে শানু যুক্ত থাকতে পারেন বলে অভিযোগ করেছেন ২০২৪ সালের ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস ববি। ২০২৪ সালে এই ফলতাতেই এই ফলতায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস।
ববির অভিযোগ, জাহাঙ্গির খানের প্রভাবেই শানু বক্সিকে ফলতার বিডিও করা হয়েছিল এবং সেই সময় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। তিনি দাবি করেন, লোকসভা ভোটের সময় প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রভাবিত করা থেকে শুরু করে ইভিএমে সেলোটেপ লাগানোর মতো ঘটনাও ঘটেছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের দাবিও তুলেছেন তিনি।
তবে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শানু বক্সি। জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে কথোপকথনের যে স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে, তা সম্পূর্ণ এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বলে দাবি তাঁর। যদিও নতুন করে ওঠা বাংলাদেশি পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


