Behala BJP-TMC Clash: বেহালায় বিপ্লব দেবের মঞ্চে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল, ঠিক কী হয়েছিল?
সাখেরবাজারে স্থানীয় একটি ক্লাবে জোরে মাইক্রোফোন ব্যবহার করা নিয়ে দুই পক্ষের বচসা শুরু হয়। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। এমনকী বিজেপির অনুষ্ঠান মঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই অনুষ্ঠানে বিপ্লব দেব ভাষণ রেখেছিলেন।
রবিবার সন্ধ্যায় ধুন্ধুমার কাণ্ড বেহালায়। তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে রাস্তাতেই। কলকাতার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকণ্ঠের সাখেরবাজারে স্থানীয় একটি ক্লাবে জোরে মাইক্রোফোন ব্যবহার করা নিয়ে দুই পক্ষের বচসা শুরু হয়। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। এমনকী বিজেপির অনুষ্ঠান মঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই অনুষ্ঠানে বিপ্লব দেব ভাষণ রেখেছিলেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী এবং র্যাফ।

বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা জোরে গান বাজিয়ে তাদের সভায় ব্যাঘাত ঘটিয়েছিল। পরে তৃণমূল নেতা সুদীপ পোল্লের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের ভেন্যুতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। এর জবাবে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির প্ল্যাটফর্ম ভেঙে দেয়। সংঘর্ষের সময় জনসভার জন্য তৈরি মঞ্চেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বিকেলে এই মঞ্চ থেকে একটি জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন। অবশ্য, রবিবার বিকেল থেকেই নাকি এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছিল। সভার জন্য এলাকায় দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলেন বিজেপি কর্মীরা। তবে তাতে তৃণমূল বাধা দেয় বলে অভিযোগ। সেই সময়ও একদফা বচসা হয়েছিল দুই পক্ষে। পরে সন্ধ্যায় মাইকিং নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে বচসা ও সংঘর্ষ হয়।
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক দেবাশিস কুমার ও রত্না চট্টোপাধ্যায়। বেহালা পূর্ব আসনের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের সময় কিছু বিজেপি সমর্থক ক্লাবের সদস্যদের সাথে দুর্ব্যবহার করেছিল। ক্লাব পরিদর্শনের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'বিজেপি যত বেশি এমন কাজ করবে, তৃণমূল কংগ্রেস তত বেশি তাদের অবস্থানে শক্তিশালী হবে।' দেবাশিস কুমার বলেন, 'বাংলায় গণতন্ত্র রয়েছে বলেই তো মঞ্চ বাঁধতে পেরেছিলেন। এসআইআর যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বাঙালি তা বুঝতে পেরেছে। তাই সুপরিকল্পিতভাবে বিজেপি এসব করেছে।' এদিকে এই ঘটনার নিন্দা করে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, এটি পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আরও একটি উদাহরণ এবং তৃণমূল নৃশংসতার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


