অবশেষে মান্যতা! বেলডাঙা-কাণ্ডে পুলিশ এসকর্টে অভিযুক্তদের আনা হল NIA আদালতে

জানুয়ারি মাসের শুরু দিকে ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর খবরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা।

Published on: Feb 26, 2026, 12:54:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অবশেষে আদালতের নির্দেশকে মান্যতা। বেলডাঙা মামলায় ধৃতদের কলকাতায় এনআইএ আদালতে নিয়ে আসতে পুলিশ এসকর্ট দিল মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরেই বহরমপুর জেল থেকে অভিযুক্ত ৭ জনকে নিয়ে কলকাতায় উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ এসকর্ট। আদালতের নির্দেশে আজই অভিযুক্তদের সশরীরে পেশ করা হবে। সাত অভিযুক্তকেই এনআইএ আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক সুকুমার রায়। সেইমতো তাদের নিয়ে আসা হয়েছে।

বেলডাঙা-কাণ্ডে পুলিশ এসকর্টে অভিযুক্তদের আনা হল NIA আদালতে (HT_PRINT)
বেলডাঙা-কাণ্ডে পুলিশ এসকর্টে অভিযুক্তদের আনা হল NIA আদালতে (HT_PRINT)

বেলডাঙা অশান্তি নিয়ে আসরে নেমেছে এনআইএ। তাঁদের অভিযোগ, কেস ডাইরি দিচ্ছে না পুলিশ। কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছে এনআইএ। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন এনআইএ আইনজীবী। বেলডাঙ্গা অশান্তির ঘটনায় আগেই হস্তক্ষেপ করতে চায়নি সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল এআইএ তদন্ত চালাতে পারবে। কিন্তু কেস ডায়রি হাতে না পাওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই কেস ডায়েরী হস্তান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতার বিচার ভবন থেকে। বলে রাখা ভালো, এর আগে তিনবার চেষ্টা করেও অভিযুক্তদের বহরমপুর থেকে কলকাতার আকিদালতে পেশ করতে পারেনি এনআইএ। অবশেষে অভিযুক্তদের এসকর্ট করে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করেছে পুলিশ।

সূত্রের খবর, বেলডাঙা অশান্তির ঘটনায় বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনআইএ সাত অভিযুক্তের হেফাজত চাইতে পারে। তবে অভিযুক্তদের আদালতে তোলা এবং এনআইএ হেফাজত পাওয়া-দুই বিষয়ই নির্ভর করছে বৃহস্পতিবারের পরিস্থিতির উপর। এনআইএ আগে অভিযোগ করেছিল, তিনবার অভিযুক্তদের আদালতে সশরীরে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন এনআইএ আদালতের বিচারক। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এসকর্টে সাহায্য না করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল জেলা পুলিশের বিরুদ্ধে। এরমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা করতে হবে। সেই কারণে এই দিন অবশেষে এসকর্ট করে সাতজন অভিযুক্তকে নিয়ে আসা হয়েছে কলকাতায়। অভিযুক্তদের বেশ কয়েকদিন নিজেদের হেফাজতে চাইছে এনআইএ আধিকারিকরা।

জানুয়ারি মাসের শুরু দিকে ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর খবরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। গত ১৬ জানুয়ারি আলাউদ্দিনের দেহ সেখানে পৌঁছোতেই সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামেন। ভিনরাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। সেই বিক্ষোভ থেকেই অশান্তি ছড়ায়। পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে। তবে হাইকোর্ট জানায়, কেন্দ্র যদি চায়, তবে এই ঘটনার তদন্ত এনআইএ করতে পারে। তারপরই মামলা যায় এনআইএ-র হাতে। যদিও তারা বার বার অভিযোগ করছে, কেস ডায়েরি দিচ্ছে না রাজ্য পুলিশ।