Beldanga Violence Case Update: বেলডাঙা হিংসায় অভিযুক্তদের NIA আদলতে পেশ করতে পারল না পুলিশ
এনআইএ-র হাত থেকে বেলডাঙা কাণ্ডের তদন্তভার সরানোর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে সেখানে তাদের ধাক্কা খেতে হয় ১১ ফেব্রুয়ারি। এবার এনআইএ-কে অসহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
বেলডাঙা হিংসায় অভিযুক্ত ৩৬ জনকে এনআইএ আদালতে পেশ করতে পারল না পুলিশ। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ এই নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে জানায়, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় পর্যাপ্ত পুলিশ নেই। তাই অভিযুক্তদের ভার্চুয়ালি পেশের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করে বহরমপুর জেল কর্তৃপক্ষের। অবশ্য এর আগেও বেলডাঙার অভিযুক্তদের এনআইএ আদালতে পেশ করা হয়নি। এর জন্য পুলিশের দিকেই আঙুল উঠেছে। এর আগে আবার এনআইএ-র হাত থেকে বেলডাঙা কাণ্ডের তদন্তভার সরানোর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে সেখানে তাদের ধাক্কা খেতে হয় ১১ ফেব্রুয়ারি।

উল্লেখ্য, বেলডাঙায় হিংসার ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে এবং জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তভার থাকবে এনআইএ-র হাতেই। এরই সঙ্গে বেলডাঙা মামলাটিকে কলকাতা হাইকোর্টে ফেরত পাঠানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, এই মামলায় ইউএপিএ-র ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা হবে কি না, সেই বিষয়টি নিয়ে মমলা চলবে হাইকোর্টেই।
উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে ঝাড়খণ্ডে আলাউদ্দিন শেখ নামে এক ফেরিওয়ালার মৃত্যু ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। পরে জানা যায়, আলাউদ্দিনকে খুন করা হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ ঝাড়খণ্ডে গিয়ে সেখানকার পুলিশের তথ্যপ্রমাণ দেখে এসেছিল। তবে বেলডাঙা এর জেরে অশান্ত ছিল বেশ কয়েকদিন। বেলডাঙা স্টেশ সংলগ্ন রেলগেটে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল সেই সময়। রেলের সিগন্যালও ভেঙে ফেলা হয়েছিল। রেললাইনে বাঁশ ফেলে রাখে বিক্ষোভকারীরা। এর জেরে ব্যাহত হয়েছিল রেল পরিষেবা। সড়কপথেও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। বড়ুয়া মোড় কাছে রাস্তায় অবরোধ করা হয়েছিল। তার জেরে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ায় দাঙ্গাবাজরা। মারধর করা হয়েছিল সাংবাদিকদেরও। জি ২৪ ঘণ্টার সাংবাদিক সোমা মাইতি এবং চিত্রসাংবাদিককে মারধর করা হয়েছিল। পরে আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন এবিপি আনন্দের সাংবাদিক পার্থপ্রতিম ঘোষ এবং তাঁর সঙ্গে থাকা চিত্রসাংবাদিক। এই হিংসার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনেরও বেশি জনকে গ্রেফতার করা হয়। হাইকোর্ট বলেছিল, কেন্দ্র যদি মনে করে, তাহলে বেলডাঙার হিংসা নিয়ে এনআইএ তদন্ত হতে পারে। সেই মতো তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তবে সেই তদন্ত ঠেকাতেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য। এবার এনআইএ-কে অসহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


