Bengal CM swearing-in ceremony: অ্যারেস্ট করাতে না পারলে ইস্তফা দেব, হিংসায় কড়া শমীক, এলেন নবান্নেও, শপথ কোথায়?
Bengal CM swearing-in ceremony: পঁচিশে বৈশাখ শপথ নেবেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী।
ঐতিহাসিক জয় এসেছে। আর সেই ঐতিহাসিক জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেডে শপথ নেবেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। সেই বিষয়ে আলোচনার জন্য আজ দুপুরে নবান্নে আসেন বঙ্গ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য-সহ পদ্মশিবিরের একাধিক নেতা। সূত্রের খবর, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ হাজির থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে নবান্নে মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার সঙ্গে বৈঠক করেছেন শমীক।

বিজেপির তৃণমূলীকরণ হতে দেব না, হুঁশিয়ারি শমীকের
তারইমধ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি। তিনি জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসেরই কেউ যদি বিজেপি পতাকা নিয়ে ঘাসফুল শিবিরের কাউকে আক্রমণ করে, তার দায় এখন পদ্মশিবির নেবে না। কারণ বিজেপি এখনও সরকারিভাবে ক্ষমতায় আসেনি। গঠন করেনি সরকার। তৃণমূল উৎখাত হওয়ার পরে যে ‘ব্রিদিং টাইম’ থাকে, সেখানে তৃণমূলের হাত থেকে তৃণমূলকে বাঁচানোর দায়িত্ব রাজ্যপাল এবং নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে দাবি করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি।
সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, বিজেপির তৃণমূলীকরণ হতে দেবেন না। বিজেপির যত বড়ই নেতা হোক, তাকে আমরা অ্যারেস্ট করাব। নাম নিন। ছবি দিন। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি। নাহলে আমি সভাপতির পদ থেকে চলে যাব।
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ফেভারিট শুভেন্দু
সেইসবের মধ্যেই জল্পনা চলছে যে নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, স্রেফ রাজনীতির নেতা বা নেত্রী হিসেবে কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করতে চাইলে শুভেন্দু অধিকারীর উপরে কেউ যেতে পারেন না।
কারণ পরপর দু'বার বিধানসভা নির্বাচনে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন। ২০২১ সালে তাও নন্দীগ্রামে নিজের ঘরের মাটিতে হারিয়েছিলেন। ২০২৬ সালে তো মুখ্যমন্ত্রীর ডেরায় ঢুকে তাঁকে হারিয়ে দিয়েছেন। তারপরে শুভেন্দুর থেকে বঙ্গ বিজেপিতে কোনও বড় নেতা নেই বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তাই মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তাঁরই ফেভারিট থাকার কথা।
আরও পড়ুন: 'মমতার খেয়ালখুশি মতো চলবে না দেশ… যেন তাঁদের পদত্যাগের উপর নির্ভর করে সমাজ চলবে'
‘সারপ্রাইজ’ দিতে ভালোবাসে বিজেপি!
কিন্তু বিজেপি আবার ‘সারপ্রাইজ’ দিতে ভালোবাসে। বিভিন্ন রাজ্যে ভোটের জেতার পরে যখন বিভিন্ন নেতাদের নাম নিয়ে আলোচনা চলে, তখন আচমকা চমক দেয় বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে যেমন যোগী আদিত্যনাথের ক্ষেত্রে হয়েছিল, দিল্লিতে সেরকম হয়েছে রেখা গুপ্তার ক্ষেত্রে। ফলে বাংলায় সেরকম কোনও চমকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও ওই মহলের মতে, ওই রাজ্যগুলিতে শুভেন্দুর মতো কেউ ‘হেভিওয়েট’ ছিল না, যিনি চূড়ান্ত দাপট দেখিয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


