Election Commission: 'বার্নল-বোরোলিন মজুত রাখুন!' নির্বাচন কমিশনের পোস্টে তোলপাড় ভোটবঙ্গ, নজরে তৃণমূল?
Election Commission: রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নাম না করে তৃণমূলের উদ্দেশেই এই ‘বার্নল’ খোঁচা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
Election Commission: আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচন বাংলায়। এখন রাজ্যের বিরোধী দল থেকে শুরু করে শাসকদল প্রচার অভিযানে ব্যস্ত। তবে ভোটবঙ্গে রঙ্গ অনেক। এমনটা না বললেই চলছে না। এই যেমন প্রচারে অভিনবত্ব আনতে প্রার্থীরা কী কী করছেন না? বাড়ি বাড়ি গিয়ে রান্না করছেন, মাছ হাতে প্রচার করছেন। একে অপরকে ছেড়ে কথা বলছেন না শাসক-বিরোধী কোনও পক্ষই। আর এর মাঝেই চরমে উঠেছে নির্বাচন কমিশন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত। ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ পড়া (এসআইআর) ইস্যুতে কমিশনকে যখন তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখন সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে ঘুরিয়ে কড়া জবাব দিল নির্বাচন কমিশন। বলিউডের গান এবং ‘বার্নল’ খোঁচায় দেওয়া হল ভয়মুক্ত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের কড়া বার্তা।

সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতার ডিইও-র সোশ্যাল মিডিয়া পেজে একটি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে মাধুরী দীক্ষিত ও আমির খানের সিনেমার বিখ্যাত গানের একটি লিঙ্ক দেওয়া হয়েছে। গানটি হল 'হাম প্যায়ার করনে ওয়ালে, দুনিয়া সে না ডরনে ওয়ালে/ ইয়ার জ্বলনে ওয়ালে কো জ্বালায়েঙ্গে…।' আর পোস্টের ক্যাপশনে সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে লেখা হয়েছে, 'সকল মা, বোন এবং ভাইদের নির্ভয়ে স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান করা হচ্ছে। যদিও কিছু লোক এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জ্বলতে পারে। গুণ্ডা, দাগী অপরাধীরা সাবধান। নিজেদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে বার্নল এবং বোরোলিন মজুত রাখুন। নইলে উত্তাপ এতটাই তীব্র হবে যে আপনারা ভেতর থেকে পুড়ে যাবেন।'
এরপরই ভোটারদের উদ্দেশে দক্ষিণ কলকাতার ডিইও-র বার্তা ছাপ্পাহীন, ভয়মুক্ত, শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি, 'যে কেউ এই মিশনে বাধা দেবে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেখানে বার্নল এবং বোরোলিনও কোনও কাজে আসবে না।' রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নাম না করে তৃণমূলের উদ্দেশেই এই ‘বার্নল’ খোঁচা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে, অবাধ ভোটের লক্ষ্যে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। রবিবারই ভবানীপুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন সাধারণ পর্যবেক্ষক তাপস রায়। সাধারণ মানুষ থেকে চা বিক্রেতা, সকলের কাছে গিয়ে এলাকায় কোনও ভয়ের পরিবেশ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখেন তিনি। বুথ জ্যামিং বা ভীতি প্রদর্শন রুখতে কড়া বার্তার পাশাপাশি সব রকম সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন সাধারণ পর্যবেক্ষক।
E-Paper

