Bhabanipur: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভণীত সিং বিট্টুকে দিয়ে বিশেষ জনসংযোগ করাল বিজেপি। তিনি হরিশ মুখার্জি রোডের সন্ত কুটিয়া গুরুদ্বারাতে গিয়ে প্রার্থনা করেন এবং পাঞ্জাবি সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতা সারেন।
Bhabanipur: বঙ্গ ভোটের মুখে উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনীতি। আর এই আবহে ভবানীপুরের মতো হাইপ্রোফাইল কেন্দ্রে ভোটের অঙ্ক মেলাতে মরিয়া বিজেপি। এই কেন্দ্রে বাঙালি হিন্দু ভোটারদের পাশাপাশি অবাঙালি ভোটব্যাঙ্ক অত্যন্ত নির্ণায়ক। সেই অবাঙালি, বিশেষ করে পাঞ্জাবি ভোটারদের ক্ষোভ প্রশমন এবং তাঁদের আস্থা অর্জনে এবার কেন্দ্রীয় রেল ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প প্রতিমন্ত্রী রভণীত সিং বিট্টুকে ময়দানে নামাল রাজ্য বিজেপি। অন্যদিকে, নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে জনসংযোগ করতে গিয়ে সর্বধর্ম সমন্বয় করলেন খোদ তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা ভবানীপুরের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভবানীপুরের ময়দানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নামাল BJP (ANI Video Grab)
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের জনবিন্যাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, এখানে বাঙালি হিন্দু ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৪২ শতাংশ। কিন্তু এর পাশাপাশি প্রায় ৩৪ শতাংশ অবাঙালি হিন্দু ভোটারের উপস্থিতি এই কেন্দ্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই ৩৪ শতাংশের মধ্যে গুজরাটি, পাঞ্জাবি, সিন্ধি এবং মারোয়াড়িরা রয়েছেন। এই ভোটব্যাঙ্ক যে কোনও প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা নেয়। বিজেপির এই রণকৌশলের নেপথ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা। ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী তথা বিধানসভার বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কয়েকদিন আগে প্রচারের জন্য এলাকায় গেলে পাঞ্জাবি সম্প্রদায়ের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। অভিযোগ ওঠে, এক পাঞ্জাবি আইপিএস অফিসারকে নিয়ে শুভেন্দু যে মন্তব্য করেছিলেন, তাতেই চটেছেন স্থানীয় পাঞ্জাবিরা।
যদিও সেই ক্ষোভ সামাল দিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই শুভেন্দু অধিকারী নিজেই সন্ত কুটিয়া গুরুদ্বারাতে গিয়ে প্রার্থনা সেরেছিলেন। সেই রেশ কাটাতে এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভণীত সিং বিট্টুকে দিয়ে বিশেষ জনসংযোগ করাল বিজেপি। সোমবার তিনি হরিশ মুখার্জি রোডের সন্ত কুটিয়া গুরুদ্বারাতে গিয়ে প্রার্থনা করেন এবং পাঞ্জাবি সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতা সারেন। অন্যদিকে, ময়দান ছাড়তে নারাজ খোদ তৃণমূল নেত্রী তথা ভবানীপুরের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এলাকার একাধিক আবাসনে-গঙ্গা-যমুনা, শান্তিকুঞ্জ-সহ তিনটি আবাসনে নিজে গিয়ে আবাসিকদের সঙ্গে জনসংযোগ সারেন। প্রত্যেক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেন, শোনেন তাঁদের মতামত। গত ৫ বছরে তাঁর নিজের কাজের পারফরম্যান্স তুলে ধরেছেন, আরও কীভাবে উন্নত পরিষেবা দেওয়া যায়, ভোটারদের কাছে সেই মতামত জানতে চেয়েছেন। সরাসরি মানুষের দুয়ারে গিয়ে ভোটের আবেদন জানান।