Police in West Bengal Election: 'পুলিশের শরীরী ভাষা বদলেছে, তারা করে দেখানোর সুযোগ চাইছে'

Police role in West Bengal Election: ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া বহু তৃণমূল নেতাদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে বিভিন্ন জায়গায়। এই পরিস্থিতিতে ভোটের পরদিন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা তথা খড়গপুর সদরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।

Published on: Apr 30, 2026, 11:29:37 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Police role in West Bengal Election: নিরপেক্ষ এবং অবাধ নির্বাচন করানোর জন্য ভিনরাজ্য থেকে পুলিশ অবজার্ভার নিয়ে এসেছিল নির্বাচন কমিশন। ২ লক্ষের বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল রাজ্যে। এই আবহে ভোটারদের প্রাভাবিত করার চেষ্টায় থাকা তৃণমূল কর্মীদের ওপর চড়াও হতে পিছ পা হয়নি বাহিনী। তবে বহু জায়গায় দেখা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর থেকে পুলিশ বেশি মারমুখি ছিল। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক থেকে মমতার ভাতৃবধূ তথা তৃণমূল কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়কে জমায়েত করতে বারণ করেছিল পুলিশ। আবার বর্ধমানে তৃণমূলের কাউন্সিলরের চেয়ারে লাথি মারেন এক পুলিশ। ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া বহু তৃণমূল নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের পরদিন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা তথা খড়গপুর সদরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।

ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া বহু তৃণমূল নেতাদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে বিভিন্ন জায়গায়।
ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া বহু তৃণমূল নেতাদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে বিভিন্ন জায়গায়।

পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করে দিলীপ বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের শরীরী ভাষা বদলে গিয়েছে। পুলিশ চাইছে, তাদের সুযোগ দেওয়া হোক। কিছু করে দেখাতে চাইছে।' এদিকে দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারেরও প্রশংসা করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, 'জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ কুমার বলেছিল তারাই ভ্যানিশ হয়ে যাওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। উনি এবার দুই দফায় ভোট করে খুব বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভোট করে দেখিয়েছেন। চাইলে প্রশাসন অনেক কিছু করতে পারে।' আর কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'কেন্দ্রীয় আধা সেনা তাঁদের কর্তব্য করেছে।'

দিলীপ ঘোষ বলেন, 'পনেরো বছর ধরে রাজত্ব করা শাসক দলের কাছে এবারের নির্বাচনে আর কোনও ইস্যু ছিল না। যেদিন থেকে এসআইআর কথাটা উচ্চারণ হয়েছে সেদিন থেকে বলা হয়েছে এসআইআর করতে দেব না। বিএলও ইউনিয়ন তৈরি করে ফেলা, জ্ঞানেশ কুমারকে কালো পতাকা দেখানো, গো-ব্যাক বলা হয়েছে। কিন্তু এত কিছুর পরও তিনি নড়েননি। করে দেখিয়ে দিয়েছেন। বাঙালির ঘিলু শুকিয়ে যায়নি যে আবার তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেবে।'

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More