Shantanu Thakur on CAA & Matuas in SIR: লাখ মতুয়ার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেলেও 'মেনে নেওয়ার' নিদান শান্তনু ঠাকুরের!
মোদী সরকারের মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বললেন, 'যদি ১ লক্ষ মতুয়া ভোট না দিতে পারে, তা মেনে নিতে হবে'। কিন্তু কেন? শান্তনুর বক্তব্য, ৫০ লাখ অবৈধ ভোটার আটকাতে এই 'দাম' মেটাতে হবে।
এসআইআর আবহে পশ্চিমবঙ্গের বহু মতুয়া ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে ভোটার তালিকা থেকে। বহু মতুয়া ভোটারের নামেরই ম্যাপিং সম্ভব হয়নি বলে দাবি রিপোর্টে। এদিকে অনেক মতুয়াই এখনও সিএএ-তে নাগরিকত্ব পাননি। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মতুয়াদের অভয় প্রদান করেছিলেন সম্প্রতি। আর এবার তাঁর সরকারের মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বললেন, 'যদি ১ লক্ষ মতুয়া ভোট না দিতে পারে, তা মেনে নিতে হবে'। কিন্তু কেন? শান্তনুর বক্তব্য, ৫০ লাখ অবৈধ ভোটার আটকাতে এই 'দাম' মেটাতে হবে।

গতকাল বনগাঁয় এক সভায় শান্তনু বলেন, 'এক লক্ষ মতুয়া ভোট দিতে না পারলেও সেটা মেনে নিতে হবে। অনুপ্রবেশকারীদের আটকাতে এইটুকু সহ্য করতে হবে। তবে আপনারা দয়া করে যত শীঘ্র সম্ভব সিএএ-তে আবেদন করুন। রোহিঙ্গাদের খুঁজে বের করতে সুবিধা হবে। এসআইআর-এর সঙ্গে নাগরিকত্বের কোনও সম্পর্ক নেই।' পরে সাংবাদিকদের শান্তনু বলেন, 'এসআইআর-এ আমাদের কোনও সমস্যা নয়। ভারতবর্ষের সরকারকে সহযোগিতা করবার জন্য এসআইআর যদি মানতে হয়, তাহলে মানব না কেন? ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি মুসলমান, পাকিস্তানি মুসলমানকে বাদ দিতে গিয়ে যদি আমার সম্প্রদায়ের এক লক্ষ মানুষকে ভোটদান থেকে বিরত থাকতে হয় তাতে কী আসে যায়।'
এদিকে সম্প্রতি মতুয়া গড়ে এসে জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল নরেন্দ্র মোদীর। তবে সেই সভায় ভার্চুয়াল ভাষণে এসআইআর-এ মতুয়াদের নাম বাদ পড়া নিয়ে নীরব ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরে এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সিএএ-র পক্ষে সওয়াল করে মতুয়াদের অভয় প্রদান করেন মোদী। সেখানে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, 'আমি প্রত্যেকটি মতুয়া ও নমঃশূদ্র পরিবারকে আশ্বাস দিচ্ছি, আমরা সর্বদা তাঁদের সেবা করব। তাঁরা তৃণমূলের অনুগ্রহে এখানে নেই। তাঁরা আমাদের সরকারের চালু করা সিএএ-এর মাধ্যমে সম্মানের সঙ্গে ভারতে বসবাস করার অধিকার পেয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত হলে মতুয়া ও নমঃশূদ্র সমাজের জন্যে আমরা আরও বেশি করে কাজ করব।' যদিও মোদীর এটুকু বার্তায় কতটুকু চিড়ে ভিজেছে, তা নিয়ে সন্দেহ থাকতে পারে। এরই সঙ্গে এবার শান্তনু ঠাকুরের বার্তায় মতুয়াদের একাংশের মনে নতুন করে সংশয় তৈরি হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


