BJP MLA on Bangladeshi Infiltration: 'বাংলাদেশ যদি তাদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করে, তাহলে ভারত কী করবে?'
বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিতদের বিএসএফ পুশ ব্যাক করেছিল বাংলাদেশে। তাদের দেশে ফেরাতে না চেয়ে পালটা ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা করে বিজিবি। এই পরিস্থিতিতে রুখে দাঁড়ায় বিএসএফ। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ায়। আর এবার সেখানে গিয়ে বড় মন্তব্য করলেন বিজেপি বিধায়ক।
গতকাল মেখলিগঞ্জে অনুপ্রবেশের দুটি পৃথক প্রচেষ্টা প্রতিহত করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এই আবহে আজ বিজেপি বিধায়ক দধিরাম রায় মেখলিগঞ্জের চ্যাংরাবান্ধায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন করেন। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিতদের বিএসএফ পুশ ব্যাক করেছিল বাংলাদেশে। তাদের দেশে ফেরাতে না চেয়ে পালটা ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা করে বিজিবি। এই পরিস্থিতিতে রুখে দাঁড়ায় বিএসএফ। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ায়। আর এবার সেখানে গিয়ে বড় মন্তব্য করলেন বিজেপি বিধায়ক।

আজ সীমান্তে দাঁড়িয়ে বিজেপি বিধায়ক বলেন, 'আমাদের মেখলীগঞ্জ এলাকায়, মহানদী সীমান্ত চৌকির কাছে, দশজন বাংলাদেশি ব্যক্তিকে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে, আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী এখানে পাহারায় রয়েছে... কোনো অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না। আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশ কড়া নজরদারি বজায় রাখছে। আজ সীমান্ত সুরক্ষিত... তারা বাংলাদেশি নাগরিক। বাংলাদেশ যদি তাদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করে, তাহলে ভারত কী করবে?'
রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে পানিশালা এলাকার ১৩৪ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে জিরো পয়েন্টে জড়ো হতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসার পর বিএসএফের জওয়ানরা সেখানে পৌঁছন। অভিযোগ, বাংলাদেশের বিজিবির ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বিএসএফের ৯৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের মহানদী বিওপির জওয়ানরা তাঁদের আটকে দেয় এবং প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে বলে।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার ঝালাঙ্গী এলাকা থেকে একটি গাড়িতে করে ওই ১০ জনকে সীমান্তের কাছে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্ব বা বৈধ প্রবেশের কোনও নথি না থাকায় বিএসএফ প্রবেশে বাধা দেয়। এরপর নারী ও শিশুসহ ওই ১০ জন জিরো পয়েন্টেই অবস্থান করতে শুরু করেন। শুক্রবার রাত পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


