BJP on WB SIR: এসআইআর নিয়ে এবার ক্ষোভ প্রকাশ BJP-র, জ্ঞানেশকে কোন বার্তা শমীকের?
বিজেপির অভিযোগ, এই এসআইআরে আসলে কোনও কাজের কাজ হচ্ছে না। এই আবহে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে শমীক ভট্টাচার্যের বার্তা, 'এভাবে এসআইআর হলে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না।'
এসআইআর নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছে। আর এবার এসআইআর নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করল বিজেপি। যদিও বিজেপির ক্ষোভের কারণ তৃণমূলের চেয়ে পুরোপুরি ভিন্ন। বিজেপির অভিযোগ, এই এসআইআরে আসলে কোনও কাজের কাজ হচ্ছে না। এই আবহে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে শমীক ভট্টাচার্যের বার্তা, 'এভাবে এসআইআর হলে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না।'

এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, 'ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। এই এসআইআর প্রক্রিয়ায় ফর্ম ৭, অর্থাৎ ভোটারের নামে কোনও অভিযোগ থাকলে, সব রাজনৈতিক দল তা উত্থাপন করতে পারে। আমরাও করছি। কিন্তু বিএলও-সহ বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা বিজেপির বিএলএ-দের কাছ থেকে ফর্ম-৭ জমা নিতে অস্বীকার করছেন। বিএলও-রা বলছে উপর থেকে নির্দেশ নেই। এই উপরটা কে? এটা দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সব কেন্দ্রে একই ঘটনা। বহু জায়গায় আমাদের কর্মীরা ধরনা দিচ্ছে। স্ক্রুটিনির পর সেটা নিয়ে আপত্তি জানাতে গেলে সেই আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না। এভাবে চললে আমরা নির্বাচন হতে দেব না। কমিশনের কাছে দাবি এই প্রক্রিয়া আরও সরল করুন।'
এরপর বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ আরও বলেন, 'নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। পশ্চিমবঙ্গবাসীকে একটি বিশুদ্ধ, ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা উপহার দেওয়ার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বলছি, দিল্লিতে বসে থেকে হবে না। আপনি পশ্চিমবঙ্গে আসুন। এখানে থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ভাবে শেষ হওয়া নিশ্চিত করুন।' এদিকে এসআইআর আবহে সব ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রশ্নে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছেন শমীক ভট্টাচার্য।
উল্লেখ্য, ১৩ জানুয়ারি নৈহাটি, জগদ্দল এবং ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে নথিভুক্ত ভুয়ো ভোটারদের বিষয়ে আপত্তি জানাতে গিয়েছিলেন বিজেপির জেলা নেতারা। কিন্তু ওই তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের কোনওটিতেই বিজেপির কাছ থেকে ফর্ম-৭ জমা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, বিএলও-দের এই ফর্ম জমা নেওয়ার কথা থাকলেও তারা তা নিচ্ছে না। তাই ইআরও-কে দিতে গিয়েছিলেন তারা। তবে ইআরও-রাও সেই ফর্ম নিচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে এবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের উদ্দেশে কড়া বার্তা শমীকের।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


