Tapas Roy on Bengal Industry: ‘টাটাদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনা’কে ‘প্রথম কাজ’ মনে করছেন নয়া শিল্পমন্ত্রী তাপস,কী পরিকল্পনা?
Bengal Industry: তাপস রায় ওই সাক্ষাৎকারে বলছেন, ‘এই বাংলা আর সেই বাংলা নেই। বাংলা বদলেছে, পার্সেপশন বদলেছে।'
সদ্য শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হয়েছে। সেখানে শিল্পমন্ত্রী হিসাবে উঠে এসেছে তাপস রায়ের নাম। এককালে তৃণমূলে থাকলেও, বর্তমানে তিনি রাজ্য বিজেপির মন্ত্রী। আর তাঁর মুখেই ফের সিঙ্গুর পর্ব উস্কে দিয়ে উঠে এল টাটাদের প্রসঙ্গ। তাপস রায়ের সাফ বার্তা, ‘শিল্পের যারা যারা চলে গিয়েছে, তাদের ফেরাতে হবে। টাটাদের ফেরাতে হবে।।’

নিউজ ১৮কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাপস রায় বলেছেন,'টাটাকে আনতেই হবে। রতন টাটা যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে প্রথম আমিই তাঁর কাছে ছুটে যেতাম। হাতে ধরে অনুরোধ করতাম। এমন ইন্ডাস্ট্রিতে উনি ফাদার ফিগার। বলতাম, আপনি চলুন।' তাঁর সাফ কথা, ‘তবে রতন টাটাজির যাঁরা উত্তরাধিকারী, আমি তাঁদের কাছে যাব। ওদের হেড কোয়ার্টারে যাব। আরও যত বিনিয়োগকারী রয়েছেন, বিজনেস আইকন রয়েছেন দেশে এবং বিদেশে, আমি কুণ্ঠা বোধ করব না হাতে পায়ে ধরতে।’ প্রসঙ্গত, এককালে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে সিঙ্গুর ঘিরে উত্তাল হয়েছে রাজ্য। যে সিঙ্গুরে একটা সময় উদ্যোগ চলছিল টাটাদের কারখানা ঘিরে। তাপস রায় ওই সাক্ষাৎকারে বলছেন, ‘এই বাংলা আর সেই বাংলা নেই। বাংলা বদলেছে, পার্সেপশন বদলেছে।' তিনি আরও বলেন, ‘এখানে তোলবাজারি ঠাঁই নেই, অত্যাচার হবে না। ট্রেড ইউনিয়নের নামে যে অত্যাচার হত, টাকা তোলা হত। তা আর হবে না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে তাপস রায় বলেন,’এর আগে যে সরকার ছিল তাদের শিল্পকে কীভাবে বাড়ানো যায়, তা ভাবতেন না ৷ নিজেদের কিছু লোকজন আর অর্থ বৈভবের দিকেই শুধু নজর ছিল। পশ্চিমবঙ্গের দিকে নজর ছিল না।'
উল্লেখ্য, রাজ্যে তৃণমূল সরকার আসার পরই বণিক সভার এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন শমীক ভট্টাচার্য। সেখানেও তিনি একাধিক আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়াও সদ্য লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো সংস্থার কর্ণধারের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এছাড়াও ১৩ জুন রাজ্যে আমূলের একটি প্ল্যান্টের উদ্বোধন রয়েছে। সব মিলিয়ে শিল্প ঘিরে রাজ্যের বিজেপি সরকার এবার কোনদিকে হাঁটে সেদিকে তাকিয়ে গোটা বাংলা।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


