BJP-TMC Clash outside Strongroom: বিধাননগরে স্ট্রংরুমের বাইরে বিজেপি-তৃণমূল হাতাহাতি, কী কেন্দ্র করে ঝামেলা?
Bidhannagar Strongroom Clash: বিজেপির ক্যাম্পে তৃণমূলের পতাকা লাগানো নিয়ে বচসা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এই আবহে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশের পক্ষ থেকেও মাইকিং করে পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
Bidhannagar Strongroom Clash: ভোট গণনা শুরুর এখনও বাকি একদিন। তার আগেই বিধাননগরে স্ট্রংরুম ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। এর জেরে সংঘর্ষ বাঁধে তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। জানা গিয়েছে, বিজেপির ক্যাম্পে তৃণমূলের পতাকা লাগানো নিয়ে বচসা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এই আবহে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশের পক্ষ থেকেও মাইকিং করে পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছিল। পরে ব্যারিকেড করে দুই পক্ষকে আলাদা করে দেওয়া হয়। এই সরকারি কলেজে বিধাননগর, রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের ইভিএমগুলি রাখা হয়েছে।

বিধাননগর কলেজের সামনে বিজেপি ও তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকরা পাহারায় ছিলেন। এই আবহে বিজেপি অভিযোগ করে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ তাদের তৈরি ক্যাম্পে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এসে ঘাসফুল পতাকা লাগিয়ে দিয়ে যায়। এই নিয়ে তারা প্রতিবাদ জানালে বচসা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এদিকে তৃণমূলের আবার অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা মারধর করেছে। সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও লাঠিচার্জ করেছে তৃণমূলের ওপর। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, র্যাফকে নামতে হয় সেখানে। এই ঘটনা নিয়ে কমিশনে অভিযোগ দায়ের করতে চলেছে দু’পক্ষই।
উল্লেখ্য, গণনাকেন্দ্রগুলির কাছে জারি আছে ১৬৩ ধারা। অর্থাৎ, ৪ জনের বেশি এখানে জমায়েত করার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরদিন থেকেই দফায় দফায় বিভিন্ন স্ট্রংরুমের বাইরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভবানীপুর থেকে বারাসতে মুখোমুখি হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা।
এর আগে ইভিএম বদলের অভিযোগ তুলে বৃষ্টিস্নাত কলকাতায় গতরাতে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধায় তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে স্ট্রংরুমের পাহারায় বসেন। প্রায় ৪ ঘণ্টা 'পাহারা' দিয়ে তিনি বেরিয়ে এসে ফের নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগেন। তবে তৃণমূলের যাবতীয় অভিযোগ খণ্ডন করে নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, গতকাল একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তৃণমূল অভিযোগ করে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মিলে বিজেপি স্ট্রংরুমের মধ্যে ব্যালট বাক্স খুলছে। সেখানে ভোট জালিয়াতি করা হচ্ছে। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, 'নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর আসছে। অভিযোগ উঠছে, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতেই ব্যালট বক্স খোলার বেআইনি চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের একাংশ।' এদিকে পাহারা দিয়ে বেরিয়ে মমতা আবার পালটা অভিযোগ করেছিলেন, টিভিতে নেতাজি ইন্ডোরের 'ঘটনা' দেখেন। তা দেখেই শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে আসেন।
পরে এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন বলে, 'ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটা বিধানসভার স্ট্রংরুম রয়েছে। সমস্ত প্রার্থী বা তাঁদের এজেন্ট, সাধারণ পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করে স্ট্রংরুম সিল করা হয়েছে। যে ৭টি স্ট্রংরুমে ইভিএম রয়েছে, সেগুলি এখনও সিল রয়েছে এবং সিএপিএফ জওয়ানরা তার নিরাপত্তায় নিযুক্ত আছেন। সেই চত্বরেই আরও একটি স্ট্রংরুম আছে যেখানে ডিইও পোস্টাল ব্যালট রেখেছেন। ডিইও সকল পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারদের জানয় যে ৩০ এপ্রিল বিকেল চারটে থেকে সেই পোস্টাল ব্যালটগুলিকে কেন্দ্র অনুযায়ী আলাদা করা হবে। রিটার্নিং অফিসারও সেই ইমেল করেছিল সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে। সেই পোস্টাল ব্যালট পৃথক করার কাজ চলছিল স্ট্রংরুমের বারান্দায়। স্ট্রংরুমের যেখানে ইভিএম রাখা আছে, সেগুলি সিল করাই আছে। এই আবহে প্রার্থীদের অনুরোধ করা হচ্ছে, ভুয়ো খবর ছড়ানোর আগে ভালো করে নিয়ম জেনে নিন।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


