BJP WB Election Details: বাংলা জয়ের নীল নকশা তৈরি করেছিলেন অমিত শাহ, তাঁর কৌশল প্রণয়নকারী দলে ছিলেন এই ৫ নেতা

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গে ছিলেন। তিনি বিজেপির জয়ের নীল নকশা তৈরি করেছিলেন। তাঁর এই পরিকল্পনা কৌশল প্রণয়নকারী দলে ছিলেন বিজেপির ৫ বর্ষীয়ান নেতা। 

Published on: May 5, 2026, 11:09:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গ জয় করে ইতিহাস গড়েছে বিজেপি। ভারতের স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় এল গেরুয়া শিবির। এই আবহে বিজেপির নির্বাচনী কৌশল নিয়ে পুরোদমে চর্চা চলছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গে ছিলেন। তিনি বিজেপির জয়ের নীল নকশা তৈরি করেছিলেন। তাঁর এই পরিকল্পনা কৌশল প্রণয়নকারী দলে ছিলেন বিজেপির ৫ বর্ষীয়ান নেতা। এই দলে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দর যাদব, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এবং আইটি টিমের প্রধান অমিত মালব্য।

বাংলা জয়ের নীল নকশা তৈরি করেছিলেন অমিত শাহ, তাঁর কৌশল প্রণয়নকারী দলে ছিলেন ৫ নেতা (Hindustan Times)
বাংলা জয়ের নীল নকশা তৈরি করেছিলেন অমিত শাহ, তাঁর কৌশল প্রণয়নকারী দলে ছিলেন ৫ নেতা (Hindustan Times)

বিভিন্ন জাতিগত এবং সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে কৌশল তৈরির কাজটা করেন ভূপেন্দ্র যাদব। এদিকে বুথ লেভেল পর্যন্ত দলীয় কর্মীদের সক্রিয় করা এবং সংগঠনের মাইক্রো ম্যানেজমেন্টের কৃতিত্ব আবার সুনীল বনসলের। ডিজিটাল প্রচারের দায়িত্ব ছিল অমিত মালব্যের ওপর। এছাড়াও প্রচার এবং কর্মীদের চাঙ্গা রাখার কাজটা করে গিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বিপ্লব দেব। ওড়িশা লাগোয়া মেদিনীপুরের বহু এলাকায় প্রচারে ছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রচার ও কর্মীসভা করেছিলেন বিল্পব দেব।

উল্লেখ্য, এবারের রাজ্য জুড়ে সার্বিক ভাবে বিজেপির ভোটের হার ছিল ৪৫.৮৪ শতাংশ। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটের হার ৪০.৮০ শতাংশ। সব মিলিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে ৮০টি আসন। একটি আসনে এগিয়ে থাকলেও সেটির ফলাফল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। এদিকে ফের বিধানসভা পা রাখতে চলেছে বাম এবং কংগ্রেস। এই নির্বাচনে বামেদের ভোটের হার ছিল ৪.৪৫ শতাংশ এবং কংগ্রেসের ভোটের হার ২.৯৭ শতাংশ।

মনে করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা, সিন্ডিকেটের বাড়বাড়ন্ত, তোলাবাজি, দুর্নীতি, গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব, অতিরিক্ত তোষণের মতো ইস্যুর জেরেই তৃণমূলকে হারতে হয়েছে বাংলায়। এবং সেই সব ইস্যুগুলিকে হাতিয়ার করে বিজেপি। সিএএ বা এসআইআর নিয়ে যে সংশয় বা অসন্তোষ ছিল, তা তৃণমূল স্তরে গিয়ে দূর করতে পেরেছে গেরুয়া শিবির। এছাড়া অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের উদাহরণ তুলে ধরে বাংলার ভোটারদের নতুন স্বপ্ন দেখাতে সফল হয়েছে গেরুয়া শিবির।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More