BJP Workers Killed in Cooch Behar: প্রণয়ঘটিত কারণে খুন ২ BJP কর্মী, বহিষ্কৃত TMC নেতা সহ ৩ জন গ্রেফতার
খুন হওয়া ২ বিজেপি কর্মী সম্পর্কে কাকা-ভাইপো। খুন হওয়া দু'জনের নাম - মানব সরকার এবং যাদব সরকার। ঘটনাটি গত ২৫ ডিসেম্বর ঘটেছে মাথাভাঙা-১ ব্লকের হাজরাহাট-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বালাসীতে। ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে সুধীর চৌধুরী, চঞ্চলা সরকার এবং কানাই শিকদার। ধৃতদের মধ্যে সুধীর তৃণমূলের ব্লক সভপতি ছিলেন।
কোচবিহারে মাথাভাঙায় ২ বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার এক বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা সহ তিনজন। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলে দাবি পুলিশের। তদন্তকারীদের কথায়, প্রণয়ঘটত কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, খুন হওয়া ২ বিজেপি কর্মী সম্পর্কে কাকা-ভাইপো। খুন হওয়া দু'জনের নাম - মানব সরকার (বয়স ৪৫ বছর) এবং যাদব সরকার (বয়স ২২ বছর)। ঘটনাটি গত ২৫ ডিসেম্বর ঘটেছে মাথাভাঙা-১ ব্লকের হাজরাহাট-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বালাসীতে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে সুধীর চৌধুরী, চঞ্চলা সরকার এবং কানাই শিকদার। ধৃতদের মধ্যে সুধীর তৃণমূলের ব্লক সভপতি ছিলেন। জোড়া খুনের ঘটনার পরই সুধীরকে বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল। এই ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

এদিকে তদন্তকারীদের কথায়, যাদবের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল ফলান সরকার নামক এক ব্যক্তির মেয়ের। এই নিয়ে দুই পরিবারের বিবাদ শুরু হয়। এই আবহে গত ২৫ ডিসেম্বর রাতে যাদবের ওপর হামলা করা হয়। লোহার রড দিয়ে মাথায় মারা হয় তাঁকে। যাদবকে বাঁচাতে গেলে কাকা মানবকেও মারধর করা হয়। মৃত্যু হয় দু'জনেরই। এই ঘটনায় নাম জড়ায় সুধীরের। এই সুধীর ফলানের পরিবারের সদস্য। এরপরই সুধীরকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। ঘটনায় অভিযুক্ত ফলান সরকার পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে কোচবিহারের পুলিশ সুপার সন্দীপ কাররা বলেন, 'ফলান সরকারের মেয়ের সঙ্গে যাদব সরকারের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে দুই পরিবারের বিবাদের সূত্রপাত। এর আগেও কয়েক বার যাদবকে তাঁর মেয়েরে সঙ্গে মেলামেশা করতে বারণ করেছিলেন ফলান। বৃহস্পতিবার যাদবের সঙ্গে ফলান কথা বলতে গিয়েছিলেন। সেখানেই বিবাদের শুরু। ফলান সরকার বর্তমানে পলাতক। কিন্তু পুলিশ শীঘ্রই তাঁকে ধরে ফেলবে।' এদিকে ধৃতদের জেরা করে পলাতক ফলান সরকার কোথায় লুকিয়ে থাকতে পারে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ। এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণও সংগ্রহ করছে পুলিশ।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


