SIRর নাম করে প্রেমিকার স্বামীকে ডেকে খুনের অভিযোগ BLOর বিরুদ্ধে, দেহখণ্ড ফেলা হয় কোথায়?
বাদুড়িয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পরকীয়ার জেরে খুন বলে প্রাথমিক সন্দেহ!

উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুরিয়ার এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। সেখানে ৩৬ বছর বয়সী নাসির আলির মৃত্যু ঘিরে গ্রেফতার হয়েছেন বিএলও রিজওয়ান হাসান মণ্ডল।ধৃত রিজওয়ানের এক সঙ্গী সাগর গাইনও। অভিযোগ, নাসির আলির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত হন রিজওয়ান। তার জেরেই এই খুন বলে জানা গিয়েছে। খুনের পর মৃত দেহ খণ্ড করে স্থানীয় এক জলাশয়ে ফেলা হয়েছে বলে খবর।

বাদুড়িয়ার নাসির আলি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে যে নাসিরের স্ত্রীর সঙ্গে বহুদিন সম্পর্কে ছিলেন রিজওয়ান। প্রশ্ন উঠছে, প্রেমের পথের কাঁটা সরাতেই কি নাসিরকে খুন? গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ নাসির। এসআইআর-এর কাজে মায়ের আধার এবং ভোটার কার্ডের জেরক্স লাগবে বলে ওই দিনই তাঁর কাছে এক ফোন আসে। নথি নিয়ে ঠিক কোন জায়গায় যেতে হবে, তাও বলে দেওয়া হয় ফোনে। ফোন পেতেই তড়িঘড়ি মায়ের সমস্ত নথি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন নাসির। সেই সময় বাইকে চলে যান নাসির। এরপর থেকেই আর নাসিরের খবর মেলেনি। শুরু হয় তল্লাশি। পুলিশের কাছে যায় অভিযোগ। পুলিশ নামে তদন্তে। এরপর তদন্তের সূত্র ধরেই রিজওয়ানের খোঁজ পায় পুলিশ।
এরপর গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাদুড়িয়ার একটি খালের পাশে নাসিরের জুতো পাওয়া যায়৷ সেই জুতোর নিশানা ধরে এগিয়ে খালের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় নিখোঁজ যুবকের মোটরসাইকেল৷ তখন থেকেই সন্দেহ জাগে। স্থানীয়রা ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। দাবি জানানো হয়, নিখোঁজের খোঁজ আনতেই হবে।
এরপর ফোন রেকর্ডের সূত্র ধরে তদন্ত এগোতে থাকে পুলিশ। সেই সূত্রেই বেরিয়ে পড়ে রিজওয়ানের নাম। বিএলও রিজওয়ানকে আটক করতেই জানা যায় নাসির খুন হয়েছেন। পুলিশি জেরার মুখে অভিযুক্ত মেনে নেয় যে, নাসিরকে খুন করে তাঁর দেহ ছোট ছোট টুকরো করে স্থানীয় খাল, জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও দেহাংশ নদীতেও ফেলা হয়েছে। এরপর স্থানীয় নদী, খালে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাগভর্তি দেহ খণ্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাগর গাইনকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


