Medical Student Dead: মেধার মর্মান্তিক মৃত্যু! উত্তরপাড়ার ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার বারাণসীর হস্টেলে, সুইসাইড নোট...

Medical Student Found Dead: পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম ঋত্বিক কুণ্ডু। তিনি উত্তরপাড়ার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাজেন্দ্র এভিনিউ এলাকায় বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী এবং মা গৃহবধূ।

Published on: Jul 5, 2026, 23:15:42 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Medical Student Found Dead: বারাণসীর মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে হুগলির উত্তরপাড়ার ডাক্তারি পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে বারাণসীতে পৌঁছেছেন তাঁর বাবা ও মা। মৃত্যুর আগের পাঁচদিন ছেলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যায়নি বলে জানিয়েছেন ওই ছাত্রের বাবা। কী কারণে, কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বারাণসী পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

উত্তরপাড়ার ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার বারাণসীর হস্টেলে (সৌজন্যে টুইটার)
উত্তরপাড়ার ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার বারাণসীর হস্টেলে (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম ঋত্বিক কুণ্ডু। তিনি উত্তরপাড়ার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাজেন্দ্র এভিনিউ এলাকায় বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী এবং মা গৃহবধূ। দুই ভাইবোনের মধ্যে ঋত্বিক ছিলেন ছোট। দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। এলাকায় মেধাবী পড়ুয়া হিসাবেই পরিচিত ছিলেন ঋত্বিক কুণ্ডু। জয়েন্ট এন্ট্রান্সে ভাল ফলের পর প্রথমে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। পরে তিনি সুযোগ পান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস, বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটিতে(আইএমএস-বিএইচইউ)। সেখানকার হোস্টেলেই থেকেই পড়াশোনা করতেন। একটি ঘরে একাই থাকতেন তিনি। এমবিবিএসের শেষ বর্ষের পডুয়া ছিলেন ঋত্বিক।

পড়ুয়ার পরিবারের দাবি, মৃত্যুর আগে টানা পাঁচ দিন ঋত্বিকের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। ফোনেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিকে, দীর্ঘ সময় ঘর থেকে কোনও সাড়া না মেলায় হস্টেল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। সেখান থেকেই ঋত্বিকের দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋত্বিকের ঘরে তল্লাশি চালানোর সময় একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। তবে তাতে কী লেখা রয়েছে, তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। নোটটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর সহপাঠী, হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়া এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, পরিবারের ছোট ছেলে হওয়ায় ঋত্বিক ছিলেন সবার চোখের মণি। শুধু পরিবারই নয়, তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ উত্তরপাড়ার রাজেন্দ্র অ্যাভিনিউয়ের আপামর বাসিন্দা থেকে শুরু করে ঋত্বিকের স্কুলের শিক্ষকেরাও। উত্তরপাড়ায় ঋত্বিকের বায়োলজির শিক্ষক শুভ্র মিত্র বলেন, 'ও অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও ছিল মেধাবী। স্কুলে ওর ভারী সুনাম ছিল।' এই ঘটনায় তাঁর বাল্যবন্ধু দেবজিৎ ভট্টাচার্য বলেন, 'আমার ছোটবেলায় এক সঙ্গে খেলাধুলা করেছি। তবে মাঝে কয়েকটা বছর যোগাযোগ ছিল না আমার সঙ্গে। হঠাৎ খবর পাই। কী হল বুঝতে পারছি না।' মেধাবী ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যুতে হতবাক প্রতিবেশীরা।