BSF Fencing Land: সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য বিএসএফকে জমি দেওয়ার দায়িত্ব প্রাক্তন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাঁধে
BSF Fencing Land: বিএসএফের জমি জটের সমস্যার সমাধানে প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু হয়েছে। আর সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে তাঁকে মুখ্যসচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট বাজতেই তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়েছিল কমিশন।
BSF Fencing Land: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করতে বিএসএফের হাতে জমি হস্তান্তর সংক্রান্ত বড় ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে সীমান্তের ওপারে। এপারেও এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্র বনাম রাজ্যের সংঘাত দেখেছে রাজ্যবাসী। তবে শুভেন্দু আসতেই বিএসএফকে জমি দিতে তৎপর রাজ্য। এই আবহে বিএসএফের জমি জটের সমস্যার সমাধানে প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু হয়েছে। আর সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে তাঁকে মুখ্যসচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট বাজতেই তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়েছিল কমিশন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানো এবং নতুন বর্ডার আউটপোস্ট গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দ্রুত বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশও জারি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। বহু জায়গায় জমি অধিগ্রহণের জট, মালিকদের আপত্তি এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ এগোচ্ছিল না। তবে এখন বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলায় জমি চিহ্নিতকরণ এবং মালিকদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিছু এলাকায় জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ মোটা অঙ্কের অর্থও দেওয়া হচ্ছে বলে খবর।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের একটি বড় অংশে এখনও কাঁটাতারের বেড়া সম্পূর্ণ হয়নি। নদী সীমান্তের কারণে কিছু এলাকায় বেড়া দেওয়া সম্ভব না হলেও, বাকি অংশে দ্রুত কাজ শেষ করতে চাইছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই বহু একর জমি হস্তান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এতদিন রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বিএসএফকে জমি দিতে গড়িমসি করেছে। যদিও তৃণমূলের দাবি ছিল, সমস্ত প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদিও অভিযোগ ওঠে, কেন্দ্র টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পরও জমি বিএসএফ-কে দেওয়া হয়নি বহু জায়গায়।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


