Kunal on Sudip-Shatabdi car incident: শতাব্দীর সঙ্গে গাড়িতে সুদীপ! কুণাল বললেন ‘বাই ওয়ান, গেট ওয়ান ফ্রি’ হবে তো

Kunal on Sudip-Shatabdi car incident: শতাব্দী রায়ের গাড়িতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় উঠতেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় সুদীপের নামও উঠতে চলেছে বলে সূত্রের খবর।

Published on: Jun 13, 2026, 16:59:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Kunal on Sudip-Shatabdi car incident: শতাব্দী রায়ের গাড়িতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় উঠতেই শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা। আজ দিল্লি বিমানবন্দর থেকে শতাব্দীর সঙ্গে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে যান। কানাঘুষো চলছে যে তাহলে কি বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন উত্তর কলকাতার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ? সেই বিষয়ে আপাতত কিছু জানানো না হলেও সুদীপকে কড়া সুরে আক্রমণ শানালেন কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করলেন, সুদীপের জন্যই তাপস রায়, সজল ঘোষদের তৃণমূল ছাড়তে হয়েছে। আর সেই সুদীপই আজ বিপদের দিনে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন বলে কটাক্ষ করেন কুণাল। তবে সেটা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্য ছিল বলেই দাবি করেন বেলেঘাটার বিধায়ক। তাঁর কথায়, ‘এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্য, পাওনা - এসব জিনিসপত্রকে উনি মাথায় তুলে রেখেছিলেন।’ পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘বাই ওয়ান, গেট ওয়ান ফ্রি’ হবে তো।

একই গাড়িতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শতাব্দী রায়।
একই গাড়িতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শতাব্দী রায়।

আক্ষেপ দেবাংশুরও

কুণালের মতোই শতাব্দীর সঙ্গে সুদীপ গাড়িতে উঠে বিজেপি নেতার বাড়িতে যাওয়ায় উষ্মাপ্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, ‘সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য তাপস রায়কে বঞ্চিত করা হয়েছিল। প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে তাঁর সভাপতিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তাঁর সঙ্গে আলোচনা না করেই। তাপস রায় আজ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও এনডিএ। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য সজল ঘোষরা দল থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালাদের কারসাজিতে সজল ঘোষকে দরজা ভেঙে বের করে আনা হয়েছিল, যা গোটা কলকাতা দেখেছিল! আজ সজল ঘোষ কাউন্সিলর, বিধায়ক, সম্ভবত ভবিষ্যতের মেয়রও.. আর যার জন্য এত কিছু, সেই সুদীপ এনডিএ!’

আরও পড়ুন: Kalyan on Abhishek emotional appeal: 'ছেলের ভুল মাফ করাই বাবার কর্তব্য….', অভিষেক ইমোশনাল কথা বলতেই গলে গেলেন কল্যাণ

অর্জুনেরও উদাহরণ দিলেন দেবাংশু

দেবাংশু আরও বলেন, ‘দীনেশ ত্রিবেদীর জন্য প্রথমে আমরা অর্জুন সিংকে দূরে সরিয়েছিলাম ২০১৯ সালে। পরে সেই দীনেশই বিজেপিতে চলে গিয়েছিল। পরে যখন ফেরত এসেছিল, তখন পার্থ ভৌমিকের জন্য আমরা দ্বিতীয়বার অর্জুন সিংকে দূরে সরিয়েছিলাম। আজ অর্জুন সিং বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ দফতরের ক্যাবিনেট মিনিস্টার। আর পার্থ ভৌমিকও এনডিএ..।’

আরও পড়ুন: Corruption case against Abhishek: আমফানের ত্রাণের ২৫০ কোটি টাকা চুরি? অভিষেকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, আরও বিপদ?

'দরজায় শুয়ে থাকা' বার্তা নিয়েও দেবাংশুর

সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজও নিশ্চিত, দল যদি কোনওদিন ক্ষমতায় ফেরে, আবারও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রাই জায়গা পাবেন, রাজত্ব করবেন.. কারণ এই দল ২০১৯ থেকে শিক্ষা নেয়নি। ২০২১ সালের ভোটের আগে দল ছেড়ে চলে যাওয়া ব্যক্তিদের রেড কার্পেট পেতে স্বাগত জানিয়েছিল.. তখনই দলের প্রত্যেক স্তরে বার্তা চলে গিয়েছিল, বিপদে এই দলের সঙ্গ ছাড়লেও ভালো সময় পুনরায় ফেরত আসা যায়, রাজত্বও করা যায়, নেতা হওয়া যায়... । বেইমানরা যদি ফিরে আসে দিদির দরজায় শুয়ে তাঁদের প্রয়োজনে আটকাবো - একুশের ভোট প্রচার চলাকালীন এই কথা বলার পর যখন একের পর এক দলত্যাগীরা দলে ফিরেছিল। সবথেকে বেশি মানসিক অত্যাচারের সম্মুখীন আমি হয়েছি সোশ্যাল মিডিয়াতে এবং টেলিভিশন মিডিয়াতে। দলকে বারবার বলেছিলাম, এদের ফেরত নেওয়া ঠিক হচ্ছে না। দল তখন পলিসি ডিসিশনের দোহাই দিয়ে চুপ করিয়ে দিয়েছিল! যে কোনও মুহূর্তে এই দলের সঙ্গ ছেড়ে যাওয়া যায়.. সেদিন সেই বার্তাটাই আজকের পরিণতির মূল ভিতিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।’

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More