Calcutta HC on SIR Case: ট্রাইব্যুনালের শুনানির পর জুড়েছে মাত্র ১৩৬ ভোটারের নাম, SIR মামলায় কী বলল হাইকোর্ট?
SIR Case: ট্রাব্যুনালের শুনানির পরে মাত্র ১৩৬ জন ভোটারের নাম নতুন করে জুড়েছে ভোটার তালিকায়। এই আবহে কলকাতা হাই কোর্টে এসআইআর নিয়ে ফের দায়ের করা হয়েছিল মামলা। তবে সেই মামলা খারিজ করে দেওয়া হল উচ্চ আদালতের তরফ থেকে। জানিয়ে দেওয়া হল, এই সংক্রান্ত মামলার আবেদন করতে হবে সর্বোচ্চ আদালতেই।
SIR Case: এসআইআরে পশ্চিমবঙ্গে বাদ পড়েছিল প্রায় ৯০ লাখ ভোটারের নাম। এদের মধ্যে ৫৮ লাখের নাম খসড়া তালিকা থেকেই বাদ পড়েছিল। চূড়ান্ত তালিকার পরে ধাপে ধাপে প্রকাশিত সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় আরও কয়েক লাখ ভোটারের নাম। সেখান থেকে ট্রাব্যুনালের শুনানির পরে মাত্র ১৩৬ জন ভোটারের নাম নতুন করে জুড়েছে ভোটার তালিকায়। এই আবহে কলকাতা হাই কোর্টে এসআইআর নিয়ে ফের দায়ের করা হয়েছিল মামলা। তবে সেই মামলা খারিজ করে দেওয়া হল উচ্চ আদালতের তরফ থেকে। জানিয়ে দেওয়া হল, এই সংক্রান্ত মামলার আবেদন করতে হবে সর্বোচ্চ আদালতেই।

হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের তরফ থেকে জানানো হয়, এসআইআর সংক্রান্ত যাবতীয় আবেদন সুপ্রিম কোর্টে করতে হবে। কারণ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিদের নাম দিয়েছে হাইকোর্ট। এছাড়া এসওপি তৈরির জন্য তিন সদস্যের কমিটি গড়ে দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে এর বাইরে এসআইআর নিয়ে হস্তক্ষেপ করার এক্তিয়ার নেই উচ্চ আদালতের।
উল্লেখ্য, আবেদনকারীর বক্তব্য ছিল, এসআইআর শুনানি পর্বে প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল। এই আবহে বাদ পড়া ভোটারদের দাবি শুনতে ১৯টি অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। কিন্তু এই সব ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি অত্যন্ত অস্পষ্ট এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে আবেদনকারীর প্রশ্ন, তালিকায় স্থান না পাওয়া বাকি আবেদনকারীদের ভাগ্য কী হবে?
উল্লেখ্য, এসআইআরে উল্লেখ্য, বিবেচনাধীন ভোটারদের তালিকায় ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের নাম। তার মধ্যে থেকে ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩ জনের নাম বাদ পড়েছে। সব মিলিয়ে ৯০ লাখেরও বেশি নাম বাদ পড়ে গোটা এসআইআর প্রক্রিয়ায়। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছিল। এরপর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেইসময় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ যায়। এই সব ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্মই জমা পড়েনি। তাই খসড়া তালিকা থেকেই বাদ পড়েছিল তাদের নাম। এর মধ্য়ে মৃত ভোটার ২৪ লাখ ১৬ হাজার ৮৫২, নিখোঁজ ১২ লাখ ২০ হাজার ৩৮ জন, স্থানান্তরিত রয়েছেন ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৭৬ জন, ভুয়ো ভোটার ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন এবং অন্যান্য ৫৭ হাজার জন।
এরপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে আরও সাড়ে ৫ লাখের মতো নাম বাদ যায়। সব মিলিয়ে সেই পর্যন্ত এসআইআরের 'চূড়ান্ত তালিকায়' ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে গত ২৩ মার্চ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয়। তারপর ২৭ মার্চ থেকে রোজ একটি করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করে নির্বাচন কমিশন। ৬ এপ্রিল রাতে শেষ সাপ্লিমেন্টারি তালিকাটি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


