Prashanta Barman: স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুন মামলায় প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ হাই কোর্টের

প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পুলিশি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সম্মতি প্রতিবেদন আদালতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

Published on: Jun 4, 2026, 08:25:37 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার অপহরণ ও খুনের মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম থাকা অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পুলিশি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সম্মতি প্রতিবেদন আদালতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পুলিশি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পুলিশি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বুধবার বিচারপতি অপূর্ব সিনহার গ্রীষ্মকালীন অবকাশ বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। এই মামলায় ধৃত কোচবিহারের তৃণমূল নেতা সজল সরকার জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত তাঁর সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিধাননগরের দত্তাবাদ এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার অপহরণ ও খুনের ঘটনায় রাজগঞ্জের তৎকালীন বিডিও প্রশান্ত বর্মনের নাম মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।

এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন কোচবিহার-২ ব্লকের তৎকালীন তৃণমূল সভাপতি সজল সরকারও। জামিনের আবেদনে তাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মামলার মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আদালতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, কয়েকদিন আগে নিউ টাউনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোর ঘটনায় প্রশান্ত বর্মন গ্রেপ্তার হলেও পরের দিনই জামিন পেয়ে যান। সেই প্রসঙ্গ টেনে সজল সরকারের পক্ষ দাবি করে, অপহরণ ও খুন মামলার মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি এবং পুলিশ হাতের নাগালে পেয়েও তাঁকে গ্রেপ্তার করেনি।

শুনানি চলাকালীন হাই কোর্ট কড়া পর্যবেক্ষণ করে জানায়, মামলার মূল অভিযুক্তকে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি। শুধু তাই নয়, চার্জশিটেও তাঁর বিষয়ে স্পষ্ট উল্লেখ নেই। আদালতের মতে, তদন্তকারী আধিকারিক শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় আইন অনুযায়ী নিজের দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এই ঘটনাকে গুরুতর কর্তব্যে অবহেলা হিসেবে দেখেছে আদালত।

এর পরেই বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, ১০ দিনের মধ্যে প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুন মামলার তদন্তে গাফিলতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে আদালতের এই কড়া অবস্থান প্রশাসনিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More