CM Suvendu Adhikari: 'বাড়ির আবর্জনার মতো পরিষ্কার...,' ‘দেশের ভিতরের শত্রুদের’ হুংকার মুখ্যমন্ত্রীর

CM Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার অবদান, বাংলার সংগ্রামীদের লড়াই তুলে ধরেন। বাইরের শত্রুদের পাশপাশি দেশের অভ্যন্তরে ভারতে দুর্বল করার চেষ্টার প্রসঙ্গও তোলেন তিনি।

Published on: Aug 28, 2026, 15:14:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

CM Suvendu Adhikari: বাইরের শত্রুদের মোকাবিলা করার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর। কিন্তু যাঁরা দেশের অভ্যন্তরে থেকে ভারত ভাগের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, রাখিবন্ধন উৎসবের মঞ্চ থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে তীব্র হুংকার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার ভবানীপুরের একটি অনুষ্ঠান থেকে তিনি মন্তব্য করেন, বাড়ির আবর্জনা যেভাবে পরিষ্কার করা হয়, ঠিক সেভাবেই এদের সমাজ থেকে সাফ করে দিতে হবে। সেই সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশের 'আজাদি' স্লোগান দেওয়া নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি।

‘দেশের ভিতরের শত্রুদের’ হুংকার মুখ্যমন্ত্রীর (PTI)
‘দেশের ভিতরের শত্রুদের’ হুংকার মুখ্যমন্ত্রীর (PTI)

এদিনের অনুষ্ঠানে রাখি বন্ধন উৎসবকে জাতীয়তাবাদের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই উৎসবে ধর্মীয় মাহাত্ম্য, ভাই-বোনের বন্ধনের সঙ্গে মিশে গিয়েছে দেশপ্রেম।’ পশ্চিমবঙ্গকে আধ্যাত্মিকতার রাজধানী বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘এই রাজ্য প্রভু শ্রীচৈতন্যদেব, শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস, রানি রাসমণির লীলাক্ষেত্র। কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর- সব রয়েছে।’ রাজ্য সরকার বাংলার সেই হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি, স্বাধীনতার এত বছর পরেও ‘আজাদি’ স্লোগান তোলার প্রবণতার সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। যাদবপুরের মতো বাংলা তথা দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেওয়ালে ‘রেড স্যালুট কিষানজি’ লেখার প্রসঙ্গ টেনে অসন্তোষও প্রকাশ করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার অবদান, বাংলার সংগ্রামীদের লড়াই তুলে ধরেন। বাইরের শত্রুদের পাশপাশি দেশের অভ্যন্তরে ভারতে দুর্বল করার চেষ্টার প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বাইরের শত্রুদের জন্য তো আমাদের সেনাবাহিনী আছেই। ওদের ঘরে ঢুকে নাম-নিশান মিটিয়েছে বায়ুসেনা। তবে দেশের ভিতরেই অনেকে আছে।' তিনি আরও বলেন, 'কষ্ট হয় কলকাতার রাস্তায় ওঠে আজাদি সোগ্লান। রাস্তায় লেখা হয় কাশ্মীর মাগে আজাদি। কীসের আজাদি। ১৯৪৫ সালেই দেশ স্বাধীন হয়েছিল।' এরপরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কষ্ট হয় যখন, কলকাতার রাজপথে আজাদি স্লোগান ওঠে। দেশ তো কবেই স্বাধীন, তবে কিসের আজাদি চাইছেন তাঁরা? যাদবপুরের দেওয়ালে লেখা থাকে ‘রেড স্যালুট কিষানজি।’ কে এই কিষানজি? যিনি দেশভাগের দাবি তোলেন এবং ভারতের সংবিধান মানেন না, তাঁর নামে কেন স্লোগান উঠবে? নতুন প্রজন্মকে ঠিক কী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে? পূর্ণাঙ্গ বন্দে মাতরমেই বা কেন আপত্তি জানানো হবে? যাঁরা দেশের ভিতরে থেকে আক্রমণ শানাচ্ছেন, দেশপ্রেমের রাখিবন্ধনে তাঁদের বাড়ির আবর্জনার মতো পরিষ্কার করার শপথ নিতে হবে।’