Militant Arrest: টার্গেট মুখ্যমন্ত্রীই! গতিবিধি নজরদারির দায়িত্বে জঙ্গি হামিম, বিস্ফোরক STF

Militant Arrest: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বর্ধমানের অত্যন্ত অভিজাত ও পরিচিত আবাসন রেনেসাঁ টাওয়ারের জিম থেকে হামিম মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে এসটিএফ। তাকে জেরা করে বিস্ফোরক সমস্ত তথ্য হাতে পান এসটিএফের দুঁদে গোয়েন্দারা।

Published on: Aug 1, 2026, 17:54:55 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Militant Arrest: পাক জঙ্গি সংগঠন জইশের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছিল আগেই। বর্ধমান থেকে ধৃত জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে জেরা করে এবার আরও বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য বেঙ্গল এসটিএফের হাতে এসেছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীই টার্গেট ছিল ধৃত জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডলের। দিনভর তাঁর গতিবিধির উপর নজরদারি রাখা ছিল হামিমের 'টাস্ক।' তাকে এই কাজের দায়িত্ব দিয়েছিল পাক হ্যান্ডলাররা। শনিবার এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা সাংবাদিক বৈঠকে এমনই বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরলেন। পাকিস্তানের 'শেহজাদ ভাট্টি' গ্যাংয়ের সঙ্গে হামিম মণ্ডলের যোগ ছিল।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Handout)
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Handout)

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বর্ধমানের অত্যন্ত অভিজাত ও পরিচিত আবাসন রেনেসাঁ টাওয়ারের জিম থেকে হামিম মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে এসটিএফ। তাকে জেরা করে বিস্ফোরক সমস্ত তথ্য হাতে পান এসটিএফের দুঁদে গোয়েন্দারা। পাশাপাশি, হামিমের ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন চ্যাট পর্যবেক্ষণ করেছেন এসটিএফের আধিকারিকরা। সেখানেই বিস্ফোরক তথ্য মিলেছে। শুক্রবার তা নিয়ে দিনভর খবরের শিরোনামে ছিল জইশ জঙ্গি হামিম। আর শনিবার ভবানী ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে বেঙ্গল এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা জানান, হামিমেরও আগে বেশ কিছু হ্যান্ডলারদের সূত্র আসে হাতে। সেই সূত্র ধরে হামিম মণ্ডল জালে আসে। তাকে জেরা করেই পাক-যোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন গোয়েন্দারা।

এদিন গৌরব শর্মা জানিয়েছেন, হামিমকে জেরা করে দেখা যায় যে কয়েকজন হ্যান্ডলার - রানা, উজায়ের-সহ কয়েকটি হ্যান্ডেলে ইনস্টাগ্রামে ফলো করত। নিজেদের মধ্যে এনক্রিপটেড কোডে চ্যাট করত। টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করত মাঝেমধ্যে। পাক হ্যান্ডলাররা মূলত মৌলবাদী ভাবধারায় মগজধোলাই করত। হামিম সেই মগজধোলাইয়ের শিকার। পরে সে পাক জঙ্গিগোষ্ঠী শেহজাদ ভাট্টি গ্রুপের সক্রিয় সদস্য হয়ে বাংলায় নানা অপারেশন শুরু করে। তাকে টাস্ক দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির খুঁটিনাটি নজর রাখার। কোথায় যাচ্ছেন, দিনভর কী করছেন, কোথায় তাঁর নিরাপত্তা খানিকটা ঢিলে - এসব তথ্য জানার কাজ করত হামিম। যাতে ষড়যন্ত্রের ব্লু প্রিন্ট ছকতে সুবিধা হয়। হামিম কী পাকিস্তান থেকে টাকাও পেত? এ বিষয়ে এসটিএফ জানায়, পাকিস্তানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি জানতে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পাশাপাশি সম্প্ৰতি দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের যে প্রতিবাদ আন্দোলন চলছিল, সেখানে পুলিশের পোশাক পরে নাশকতার প্ল্যান ছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে। এসটিএফের আরও তথ্য, শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, হামিমের টার্গেটে ছিলেন হাওড়ার উত্তরের বিধায়ক তথা পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই। তাঁর ছেলেকে 'হানিট্র্যাপে'র মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে, অপহরণ করে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়। এই সমস্ত তথ্যই হামিমকে জেরা করে পেয়েছেন বলে দাবি এসটিএফ আইজি গৌরব শর্মার। তবে এখনও আরও বহু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া বাকি।