CM Suvendu Adhikari: 'বাংলাদেশে সবাই ওত পেতে...,' ইচ্ছামতি ঘুরে অনুপ্রবেশকারীদের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

CM Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগের সরকারের আমলে সীমান্তরক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় ছিল না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আলাদা।

Published on: Nov 8, 2026, 19:16:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

CM Suvendu Adhikari: উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে (Hingalganj) সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা ৭৪ বিএসএফের (BSF) ব্যাটালিয়নের ক্যাম্পে দীপাবলি উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দেশের বাইরে ফেরত পাঠানোর কথা জানানো হয়। ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের অঙ্গীকারের কথাও সেখানে তুলে ধরা হয়েছে।

হিঙ্গলগঞ্জে বিএসএফের ক্যাম্পে দীপাবলি উদযাপন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (@BJP4Bengal X)
হিঙ্গলগঞ্জে বিএসএফের ক্যাম্পে দীপাবলি উদযাপন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (@BJP4Bengal X)

রবিবার দুপুরে হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের মাঠে অস্থায়ী হোলিপ্যাডে নেমে সড়কপথে প্রথমে বিএসএফ ক্যাম্পে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলির আনন্দ ভাগ করে নেন। বিএসএফের স্পিডবোটে চেপে ইছামতি নদীতে ঘোরেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পর সেখান থেকে চলে যান হিঙ্গলগঞ্জ থানায়। থানার পুজো উদ্বোধনের পর খানিকক্ষণ পুলিশ এবং প্রশাসনিক ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখান থেকে বেরিয়ে লালকৃষ্ণ আডবাণীকে তাঁর ১০০তম জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘আমি তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ। তিনি আমাকে খুব ভালোবাসতেন। আমি অন্য দলের সাংসদ ছিলাম। তার পরেও আমার সঙ্গে সংসদে দেখা হলে জিজ্ঞাসা করতেন, ‘নন্দীগ্রাম ক্যায়সা হ্যায়?’ আমি বলতাম, ‘আচ্ছা হ্যায়।’

সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করে শুভেন্দু অধিকারী জানান, উৎসবেও তাঁরা বাড়িঘর ছেড়ে ডিউটি করেন। যাতে আমি-আপনি, সকল সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত থাকেন। তাঁদের কাছে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যাওয়াটা তাঁর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগের সরকারের আমলে সীমান্তরক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় ছিল না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আলাদা। তাঁর কথায়, ‘ডিজিপি-র নেতৃত্বে সীমান্তরক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের দারুণ কো-অর্ডিনেশন!’ ইছামতির তীরে ফেন্সিং নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। বিএসএফের স্পিডবোটে চাপার অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘স্পিডবোটে উঠেছিলাম। সেখান থেকে বাইনোকুলার দিয়ে দেখেছি, বাংলাদেশে সবাই ওত পেতে বসে আছে। ফাঁকা পেলেই হু-হু করে আমাদের ভারতে চলে আসবে।’ মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, ‘একটা অনুপ্রবেশকারীও রাখব না আমাদের রাজ্যে। সবকটাকে ধরে ওই দেশে পাঠিয়ে দেব। খুঁজে খুঁজে বের করব সব অনুপ্রবেশকারীকে। ১৫ কিলোমিটার ধরে তল্লাশি চলছে।’

সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে থানা স্থাপন ও প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগের পদক্ষেপের আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, সীমান্তে দায়িত্বরত জওয়ানদের কাজের স্বীকৃতি জানাতে নতুন উদ্যোগের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে বিএসএফ ও এসএসবি (SSB) জওয়ানদের অবদানের জন্য ‘সীমা মিত্র’ পুরস্কার দেওয়া হবে। এই পুরস্কার প্রাপকদের বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একটি স্বচ্ছ কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।