New Town Durga Angan: '১০৮টি দেব-দেবীর মূর্তি থাকবে', বিশ্বের 'বৃহত্তম দুর্গা অঙ্গনের' সূচনা মমতার
সারা বছর মা দুর্গার দর্শন- নিউ টাউনে দুর্গাঙ্গনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রে খবর, নিউ টাউন বাসস্ট্যান্ডের উল্টোদিকে ১৭.২ একর জমিতে দুর্গাঙ্গন তৈরি করা হবে।
সারা বছর মা দুর্গার দর্শন- নিউ টাউনে দুর্গাঙ্গনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রে খবর, নিউ টাউন বাসস্ট্যান্ডের উল্টোদিকে ১৭.২ একর জমিতে দুর্গাঙ্গন তৈরি করা হবে। পুরো প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬২ কোটি টাকার মতো। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্গাপুজো তো ঘরে-ঘরে হয়। দুর্গাপুজো তো পাড়ায়-পাড়ায় হয়। দুর্গাপুজো তো গ্রামে-গ্রামে হয়। তাহলে একটা দুর্গাঙ্গন তৈরির কী দরকার আছে? দরকার আছে, কারণ দুর্গাপুজোকে যে সম্মান দিয়েছে ইউনেস্কো, সেটা মাথায় রেখে ভবিষ্যতের জন্য, ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম দুর্গাঙ্গন তৈরি করা হচ্ছে নিউ টাউনে। যা বিশ্বের কাছে বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে তুলে ধরবে।

রোজ ১ লাখ দর্শনার্থী আসতে পারবেন দুর্গাঙ্গনে, বললেন মুখ্যমন্ত্রী
তিনি আরও জানান, এবার কাজ শুরুর পালা। দিনে এক লাখ দর্শনার্থী আসতে পারবেন। কোনও অসুবিধা হতে হবে না। এই সামান্য কাজটি করতে পেরেছি বলে আমরা গর্বিত এবং কৃতজ্ঞ। ধর্ম যার-যার আপনার, উৎসব সবার। দুর্গাঙ্গন হবে বাংলার সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিকতার মিলনস্থল। যা লাখ-লাখ পর্যটকের কাছে বাংলার প্রতীক হয়ে উঠবে। দুর্গাঙ্গনে মানুষ ৩৬৫ দিন মা দুর্গার দর্শন করতে পারবেন। হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর দুর্গাঙ্গনের হাত ধরে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রচুর দোকান গড়ে উঠবে।
দুর্গাঙ্গনে কী কী থাকছে?
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্গাঙ্গনের নকশা তৈরি হয়ে গিয়েছে। আজ থেকেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। এত বড় করে করা হয়েছে যে মন্দিরের মাঝের উঠোনে ১,০০০ লোক একসঙ্গে বসে থাকতে পারবেন। ১,০০৮টি স্তম্ভ তৈরি করা হচ্ছে। মূল গর্ভগৃহের উচ্চতা হবে ৫৪ মিটার। ১০৮টি দেব-দেবীর মূর্তি বসানো হবে। গাছ লাগানো হবে ৩০০টির বেশি। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে আগামী জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে উত্তরবঙ্গে মহাকাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
আর সেই দুর্গাঙ্গনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হল এমন একটা দিনে, যার আগেরদিনই দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের পুণ্যার্থীর সংখ্যা এক কোটি ছুঁয়ে ফেলেছে। গত এপ্রিলে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করা হয়েছিল। মাত্র ১০ মাসেই সেখানে পুণ্যার্থীর সংখ্যা এক কোটির গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের সেই মাইলফলক ছোঁয়ার পরদিনই মুখ্যমন্ত্রীর আরও একটি ‘স্বপ্নের প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


