LoP Ritabrata Banerjee: বিরোধী দলনেতা হতেই ঋতব্রতকে শুভেচ্ছা কংগ্রেসের শীর্ষ নেতার, দেখা করলেন শওকত
LoP Ritabrata Banerjee: শুধু রাজ্যের নেতারাই নন, সর্বভারতীয় স্তরের বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সংসদে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠরাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঋতব্রতকে। সেই তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে উঠে এসেছে জয়রাম রমেশ।
LoP Ritabrata Banerjee: বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, শুধু তৃণমূলের অধিকাংশ বিধায়কই নন, দলের পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যেও অনেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। পাশাপাশি জাতীয় স্তরের বিভিন্ন নেতা-নেত্রীর কাছ থেকেও তিনি শুভেচ্ছাবার্তা পাচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

ঋতব্রতর অনুগামীদের আরও দাবি, শুধু রাজ্যের নেতারাই নন, সর্বভারতীয় স্তরের বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সংসদে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠরাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেই তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে উঠে এসেছে জয়রাম রমেশ। ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্রে তাঁর শুভেচ্ছাবার্তা এলেও, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের একজনের এই বার্তাকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস হাইকমান্ড বৃত্তের অংশ জয়রাম।
বুধবার বিধানসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে তথাকথিত ‘নতুন তৃণমূল’। ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন বিক্ষুব্ধ শিবির পরিষদীয় দলের মর্যাদা লাভ করে এবং স্পিকারের সিদ্ধান্তে তিনি বিরোধী দলনেতার আসনে বসেন। এর পর থেকেই রাজনৈতিক যোগাযোগের পরিধি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে বলে তাঁর অনুগামীদের দাবি। রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের যেসব প্রার্থী নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন, তাঁদের একাংশ ঋতব্রতর সঙ্গে যোগাযোগ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এর পরেই। শুধু শুভেচ্ছাই নয়, দলের কঠিন পরিস্থিতিতে পাশে থাকার আবেদনও জানিয়েছেন তাঁরা।
এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে উঠে এসেছে ঋতব্রত-শওকত সাক্ষাৎ। ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক তথা ভাঙড়ের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা বিধানসভায় গিয়ে ঋতব্রতের সঙ্গে সাক্ষাৎ। সূত্রের খবর, বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন যে দলের অন্দর থেকেই তাঁকে হারানোর ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, নিরাপদ বলে পরিচিত ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্র থেকে তাঁকে ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙড় কেন্দ্রে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং নির্বাচনী প্রচারেও পর্যাপ্ত সহযোগিতা মেলেনি।
শওকতের সঙ্গে বৈঠকের পর ঋতব্রত জানান, শওকত দলের পুরনো নেতা এবং তাঁর সিনিয়র। ছাত্র রাজনীতির সময় তিনি শওকতের নেতৃত্বেই রাজনীতি করেছেন। ফলে তাঁর সঙ্গে কাজ করতে কোনও আপত্তি নেই বলেই মন্তব্য করেন ঋতব্রত। একই সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল জানায়, রাজ্যের যে কোনও প্রান্তের পরাজিত তৃণমূল নেতা সাহায্য চাইলে তিনি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন। তবে কিছু বিধায়কের ক্ষেত্রে তাঁর শিবিরের দরজা আপাতত বন্ধ। মমতা-অভিষেক ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বিধায়ককে তিনি ‘ব্লকলিস্টে’ রেখেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার পদে বসার পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে এবং তৃণমূলের অন্দরমহলের অসন্তোষের একটি অংশ তাঁর দিকে ঝুঁকছে, সেই ইঙ্গিতই এই ঘটনাপ্রবাহে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


