Beldanga Case: ৯০ দিনেও চার্জশিট দিতে পারেনি NIA! বেলডাঙা-কাণ্ডে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিল আদালত

Beldanga Case: ঘটনার সূত্রপাত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের ঝাড়খণ্ডে অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। ওই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গত জানুয়ারি মাসে অশান্ত হয়ে ওঠে বেলডাঙা।

Published on: Apr 18, 2026, 23:40:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসার মামলায় ১৫ জন অভিযুক্তকে শর্তসাপেক্ষ জামিন দিল বিশেষ এনআইএ আদালত। শনিবার ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে অভিযুক্তদের জেলমুক্তি হয়েছে বলে খবর সূত্রের। আদালত সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট ৯০ দিনের মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে পারেনি জাতীয় কেন্দ্রীয় সংস্থার গোয়েন্দারা। তদন্ত রিপোর্টও জমা দিতে পারেনি তারা। সেই কারণেই আজ ধৃত ৩৫ জন অভিযুক্তর মধ্যে ১৫ জনকে জামিনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে। জামিন মিললেও দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু শর্ত।

বেলডাঙা-কাণ্ডে ১৫ জন অভিযুক্তর জামিন  (Representational image)
বেলডাঙা-কাণ্ডে ১৫ জন অভিযুক্তর জামিন (Representational image)

শনিবার অভিযুক্তদের জামিন মঞ্জুর করার আগে বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছে বিশেষ এনআইএ আদালত। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্তরা কলকাতা পুরসভা এলাকার বাইরে বেরোতে পারবে না। প্রত্যেক শুনানিতে তাদের আদালতে উপস্থিত থাকতেই হবে। প্রত্যেককেই ১০ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে। বলে রাখা ভালো, এর আগে অভিযুক্তদের বেলডাঙা থেকে কলকাতা নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এর আগে বেশ কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। যার ফলে শুনানিতে প্রভাব পড়েছিল। তাই সেই ঘটনার কথা মাথায় রেখেই অভিযুক্ত ১৫ জনকে কলকাতায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

ঘটনার সূত্রপাত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের ঝাড়খণ্ডে অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। ওই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গত জানুয়ারি মাসে অশান্ত হয়ে ওঠে বেলডাঙা। দেহ বাড়িতে ফিরতেই দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। চলে ভাঙচুর, রেল অবরোধ, জাতীয় সড়কে বিক্ষোভ, সাংবাদিকদের মারধরের মত ঘটনা। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘক্ষণ রেললাইন চলে অবরোধ। এক সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। তপ্ত পরস্থিতির খবর কানে গেলেও কেন শুরুতেই সাংসদ ইউসুফ পাঠান এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে থাকে। ঘটনার পর পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অশান্তির ঘটনায় যুক্ত অভিযুক্তদের গ্রেফতারও করা হয়। তবে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর এই মামলার তদন্তভার যায় এনআইএ-এর হাতে। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মোট ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয় বিভিন্ন সময়ে। শনিবার সেই ৩৫ জনের মধ্যেই ১৫ জনকে শর্তসাপেক্ষ জামিনের নির্দেশ দিল আদালত।

বেলডাঙার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা উঠলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেন। জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। শেষ পর্যন্ত তদন্ত শুরু করে এনআইএ। তারপর থেকেই পুরোদমে তদন্ত চালাচ্ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।