CPIM Ex MP Passed Away: প্রয়াত প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ সুধাংশু শীল, হয়েছিলেন বিধায়কও, ছিলেন ৫ বারের কাউন্সিলর
২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তৎকালীন কলকাতা উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন শুধাংশু শীল। কলকাতা পুরসভায় পাঁচবারের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত মেয়র পারিষদ ছিলেন। এরপর ২০০১ সালের ভোটে তৎকালীন জোড়াবাগান কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
CPIM Ex MP Passed Away: প্রয়াত প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ সুধাংশু শীল। বৃহস্পতিবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। দীর্ঘদিন ধরে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা সুধাংশু শীল কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পরিসরে অত্যন্ত পরিচিত মুখ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি শোকপ্রকাশ করেছেন বহু পুরনো সহকর্মী ও অনুগামীরা। প্রয়াণকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তৎকালীন কলকাতা উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন তিনি। এর আগে কলকাতা পুরসভায় পাঁচবারের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত মেয়র পারিষদ ছিলেন। এরপর ২০০১ সালের ভোটে তৎকালীন জোড়াবাগান কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রজীবন থেকেই বামপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। পরে সিপিএমের সংগঠনিক কাজের মাধ্যমে ধীরে ধীরে জেলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ এবং সংগঠন পরিচালনার দক্ষতার জন্য তিনি দলের মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে বহু আন্দোলন এবং গণসংগঠনের কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন সুধাংশু শীল। রাজনৈতিক মহলে ‘মিন্টুদা’ নামেই পরিচিত ছিলেন সুধাংশু।
পরবর্তীকালে তিনি লোকসভার সাংসদ হিসেবেও নির্বাচিত হন। সংসদে থাকাকালীন বিভিন্ন জনস্বার্থমূলক বিষয় নিয়ে তিনি সরব হয়েছিলেন বলে দলীয় নেতাদের বক্তব্য। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ এবং গ্রামীণ এলাকার সমস্যা নিয়ে তাঁর অবস্থান বরাবরই স্পষ্ট ছিল। রাজনৈতিক মতাদর্শে তিনি চিরকাল ছিলেন অটল। আর ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল মানুষ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।
সুধাংশু শীলের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের তরফে শোকবার্তা দেওয়া হয়। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এবং সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। সিপিএম নেতৃত্ব জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুতে দলের এক অভিজ্ঞ সংগঠককে হারাল রাজ্য। বহু কর্মী-সমর্থকের কাছেও তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের প্রতি নিষ্ঠা আগামী দিনেও দলের কর্মীদের পথ দেখাবে বলে মনে করছেন অনেকে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


