DA Case Latest Reaction: 'কান মুলে বকেয়া ডিএ আদায় করবে সুপ্রিম কোর্ট, মমতার পালানোর জায়গা নেই'
শুভেন্দু বলেন, 'মার্চের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি ৭৫ শতাংশ মেটাতে হবে মে মাসের মধ্যে। অর্থাৎ এই সরকারের অক্ষমতার খেসারত পরের সরকারকে দিতে হবে।'
বকেয়া ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকার জোর ধাক্কা খেয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আর তা নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখাল বিজেপি। মিষ্টিও বিলি করে গেরুয়া শিবির। এই আবহে মমতাকে তীব্র আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, 'মার্চের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি ৭৫ শতাংশ মেটাতে হবে মে মাসের মধ্যে। অর্থাৎ এই সরকারের অক্ষমতার খেসারত পরের সরকারকে দিতে হবে।'

তবে এই আবহে বিজেপি ক্ষমতায় এলে কি বকেয়া ডিএ মেটাবে? শুভেন্দু বলেন, 'বিজেপি সরকারে এলে সুপ্রিম কোর্টের রায় মর্যাদার সঙ্গে কার্যকর করা হবে।' শুভেন্দু এরপর বলেন, 'রাজ্যের যে ষড়যন্ত্র, টালবাহানা ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কান মুলে আদায় করবে সর্বোচ্চ আদালত। নজরদারির জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির কমিটিও গঠন করা হয়েছে। মমতার পালানোর জায়গা নেই আর।' এদিকে ডিএ মামলা নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'রাজ্য সরকার এতদিন কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এটা মেলা-মোচ্ছবের সরকার, দায়িত্বজ্ঞানহীন শাসন।'
উল্লেখ্য, আজ বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। পরে বাকি বকেয়াও মেটাতে হবে। বকেয়া ডিএ দেওয়ার বিষয়ে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটি গঠিত হবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে। এদিকে রায়দানের সময় শীর্ষ আদালত নিজের পর্যবেক্ষণে বলে, রোপা রুল নিয়ে অনুযায়ী ডিএ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকার।
এর আগে ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। কারণ, ২০২৫ সালেই বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশ সরকার মানেনি। এই আবহে এই মামলার শুনানি চলাকালীন সরকারকে কার্যত 'মহাজন' আখ্যা দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জয় করোল বলেছিলেন, 'আপনারা যে কোনও পরিমাণ ডিএ দিতে পারেন। কিন্তু প্লিজ দিন। আপনার ক্লায়েন্টকে (রাজ্য সরকার) বলুন।' রাজ্যের বক্তব্য ছিল, 'রাজ্য কোথা থেকে টাকা দেবে? রাজ্যকে ধার করতে হবে। রাজ্যকে তার জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে যেতে হবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক আমাদের ঋণ পাওয়ার ক্ষমতা দেখে আমাদের ঋণ দেবে। তারপর আমাদের বিধানসভায় অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল আনতে হবে। তারপর টাকা দেওয়া হবে। এই পুরো প্রক্রিয়া যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ।' এই আবহে বিচারপতি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, 'আগেকার দিনের মহাজনদের মতো রাজ্য সরকার আচরণ করছে। টাকা জমিয়ে রেখে অন্য জায়গায় টাকা খাটানো হচ্ছে।'
E-Paper











