WB Winter Weather Forecast: বড়দিনে ‘বড়’ কামড় শীতের! ৮-র নীচে নামল বাংলার অনেক জায়গার পারদ, ঠান্ডা বাড়বে?
বড়দিনে পশ্চিমবঙ্গে 'বড়' কামড় দিল শীত। কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গেল তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কোথাও আবার পারদ নয় ডিগ্রিতে ঠেকল। কলকাতার পারদ নেমে গেল ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এখনও পর্যন্ত মরশুমের শীতলতম দিন।
বড়দিনে পশ্চিমবঙ্গে 'বড়' কামড় দিল শীত। কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গেল তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কোথাও আবার পারদ নয় ডিগ্রিতে ঠেকল। কলকাতার পারদ নেমে গেল ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এখনও পর্যন্ত মরশুমের শীতলতম দিন। তাছাড়াও আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে শ্রীনিকেতনে। সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ৮.৫ ডিগ্রি। আর উত্তরবঙ্গের সমতল এলাকার মধ্যে পারদ সবথেকে নেমে গিয়েছে আলিপুরদুয়ারে। সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল আট ডিগ্রি।

তবে সেখানেই শেষ হবে না শীতের কামড়। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী তিনদিনে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমে যাবে। পরবর্তী দু'দিনে অবশ্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তেমন হেরফের হবে না। আর আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের সব জেলার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত?
১) দার্জিলিং: ৩ ডিগ্রি।
২) কালিম্পং: ১০.৫ ডিগ্রি।
৩) জলপাইগুড়ি: ১০.৮ ডিগ্রি।
৪) আলিপুরদুয়ার: ৮ ডিগ্রি।
৫) কোচবিহার: ১০.১ ডিগ্রি।
৬) বাগডোগরা: ১১.৮ ডিগ্রি।
৭) পুণ্ডিবাড়ি: ১০ ডিগ্রি।
৮) রায়গঞ্জ: ১০ ডিগ্রি।
৯) মাঝিয়ান: ৯.৬ ডিগ্রি।
১০) বালুরঘাট: ১২.৭ ডিগ্রি।
১১) মালদা: ১১ ডিগ্রি।
১২) বহরমপুর: ১০.৪ ডিগ্রি।
১৩) সিউড়ি: ৯ ডিগ্রি।
১৪) শ্রীনিকেতন: ৮.৫ ডিগ্রি।
১৫) কৃষ্ণনগর: ১১.৬ ডিগ্রি।
১৬) পানাগড়: ১১.২ ডিগ্রি।
১৭) বর্ধমান: ১০ ডিগ্রি।
১৮) আসানসোল: ১০.৪ ডিগ্রি।
১৯) আসানসোল: ১০.৪ ডিগ্রি।
২০) পুরুলিয়া: ১১ ডিগ্রি।
২১) মেদিনীপুর: ১২.৬ ডিগ্রি।
২২) খড়্গপুর: ১২ ডিগ্রি।
২৩) দিঘা: ১২.৭ ডিগ্রি।
২৪) হলদিয়া: ১৩.৮ ডিগ্রি।
২৫) উলুবেড়িয়া: ১২.৪ ডিগ্রি।
২৬) ডায়মন্ড হারবার: ১৩ ডিগ্রি।
২৭) কাকদ্বীপ: ১৩ ডিগ্রি।
২৮) দমদম: ১৩ ডিগ্রি।
২৯) কলকাতা: ১৩.৭ ডিগ্রি।
আগামী কয়েকদিন কোথায় কোথায় কুয়াশা পড়বে?
১) শুক্রবার এবং শনিবার উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলায় (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) ভোর এবং সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়বে।
২) একইভাবে শুক্রবার এবং শনিবার ভোর এবং সকালের দিকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় (কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়বে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


