Birla and Purulia Investment Plan: এই জেলায় ১ বছরে ১ লাখ কোটি লগ্নি! দৌড়ে প্রতিরক্ষা শিল্প, বঙ্গে টাকা ঢালবে বিড়লা
Birla and Purulia Investment Plan: পশ্চিমবঙ্গের এই জেলায় আগামী এক বছরে এক লাখ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ আসবে। যে তালিকায় প্রতিরক্ষা শিল্পও থাকতে পারে। পাশাপাশি আদিত্য বিড়লা গ্রুপের তরফেও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
Birla and Purulia Investment Plan: পশ্চিমবঙ্গে আরও বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিল আদিত্য বিড়লা গ্রুপ। পাশাপাশি এখন বাংলায় যে যে ক্ষেত্রে আদিত্য বিড়লা গ্রুপের লগ্নি বা ব্যবসা চালু আছে, সেগুলি ধারেভারে আরও বড় করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। রবিবার রাজ্যসভার সাংসদ তথা বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও দেখা করবেন আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান কুমার মঙ্গলম বিড়লা। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ সংক্রান্ত রূপরেখা আরও স্পষ্ট হতে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

নতুন করে বিনিয়োগ থেকে ব্যবসা সম্প্রসারণ- নজরে বিড়লা
আর বিড়লাদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য বিজেপি সরকার ক্ষমতা আসার পরই চিঠি লিখেছিলেন শমীক। তারপর রবিবার আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন, 'উনি রাজ্যে আরও লগ্নি করবেন। পশ্চিমবঙ্গে তাঁর যে যে ব্যবসা চলছে, তা আরও সম্প্রসারণের বিষয়টিও দেখবেন।'
এই জেলায় ১ বছরেই ১ লাখ কোটি টাকার লগ্নি
আদিত্য বিড়লা গ্রুপের তরফে বিনিয়োগের সেই বার্তা আসার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এক বছরের পুরুলিয়ায় এক লাখ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ আসবে। ইতিমধ্যে রঘুনাথপুরে ৫,০০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ভূমিপুজো সম্পন্ন করা হয়েছে। তাছাড়াও জেলায় প্রতিরক্ষা, স্টিল, সিমেন্ট-সহ অন্য বড় শিল্প তৈরির প্রস্তাবও আসছে। তবে সবথেকে বেশি প্রস্তাব আসছে সোলার প্ল্যান্ট তৈরির জন্য। আর সেজন্য জমিও আছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
পুরুলিয়ায় বিমানবন্দর UDAN প্রকল্পে, হবে চুক্তি
সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পুরুলিয়ায় যে বিমানবন্দর তৈরির জন্য পুজোর আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হবে। নরেন্দ্র মোদী সরকারের স্বপ্নের 'উড়ান' (উড়ে দেশ কা আম নাগরিক) প্রকল্পের আওতায় পুরুলিয়া বিমানবন্দর তৈরি করা হবে। সেজন্য ইতিমধ্যে রাজ্যের তরফে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রয়োজনীয় লাইসেন্সের জন্যও আবেদন করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।
সেইমতো পুরুলিয়ায় যখন বিমানবন্দর তৈরি হয়ে যাবে, তখন জেলার শিল্প ও পর্যটন মানচিত্র পালটে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পুরুলিয়ার উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে উন্নত উড়ান যোগাযোগ ব্যবস্থাও আছে। জোর দেওয়া হচ্ছে পর্যটন ও পরিকাঠামোর উন্নয়নে। বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে শিল্পের বিকাশও। সবমিলিয়ে পুরুলিয়াকে রাজ্যের অন্যতম শিল্প হাব এবং পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


