বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগ প্রাক্তন TMC সাংসদের? ‘চিঠি’ নিয়ে জবাব কাকলি-শুভেন্দুর
বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগ আছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদের? কাকলি ঘোষ দস্তিদার এরকমই একটি চিঠি দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদের সরাসরি যোগ আছে? এমনই মর্মে বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার একটি চিঠি লিখেছেন বলে দাবি করা হয়েছিল একাধিক রিপোর্টে। যদিও সেরকম কোনও চিঠির কথা উড়িয়ে দিলেন বারাসতের সাংসদ। কোনও বিষয়বস্তুর উল্লেখ না করেই তিনি বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কোনও বিষয়ে আমি কোনও চিঠি লিখিনি- যা বর্তমানে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। এই খবরের সঙ্গে আমার যোগ থাকার বিষয়টি আমি অস্বীকার করছি।’

কাকলি, চিঠি কাণ্ড ও বিভিন্ন রিপোর্ট
আর কাকলি সেই মন্তব্য করেছেন একটি চিঠি নিয়ে হইচই শুরু হওয়ার পরে। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছিল, কাকলি নাকি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখে অভিযোগ করেছেন যে তৃণমূলের প্রাক্তন এক রাজ্যসভার সাংসদের সঙ্গে বাংলাদেশের উগ্রপন্থী সংগঠনের সরাসরি যোগ আছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে যে নির্বাচিত সরকার আছে, সেটাকে ফেলে দেওয়ার জন্য নাকি টাকাও পাঠানো হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে ওই প্রাক্তন সাংসদের বিরুদ্ধে কাকলি নাকি তদন্ত চেয়েছেন বলে একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছিল।
'পশ্চিমবঙ্গে এরকম অনেক অবৈধ কাজকর্ম হয়, আগেই বলেছি'
যে চিঠির কথা পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছেন কাকলি। শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে জবাব দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে যখন বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তখনও কাকলির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সেই আবহে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উনি (কাকলি) চিঠি লিখেছেন, সেটা আমার জানা নেই। আর এই ধরনের অবৈধ কাজকর্ম পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে (যে) হয়, সেটা আমরা জানি। আমি বহুবার বিরোধী দলনেতা হিসেবে এটা বলেছি।’
'আমি দায়িত্বশীল মন্ত্রী, তথ্য ছাড়া নির্দিষ্ট কারও বিষয়ে বলব না'
সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির সম্পর্কে তথ্য ছাড়া রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী আমার মন্তব্য করাটা কাম্য নয়। আমি নিজেকে খুব দায়িত্বশীল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনে করি। আমি এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করব। যেহেতু চিঠিটা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের এই সংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা বিষয়টি দেখবে। তারা যদি কোনওরকমের সহযোগিতা চায়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, পশ্চিমবঙ্গ আইবি বা পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি বা পশ্চিমবঙ্গের এসটিএফ তথ্য সংগ্রহ করতে বাধ্য থাকবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


