Dum Dum: ৫০ বছর অন্ধকারে কাটিয়ে অবশেষে বিদ্যুৎ পেল বিমানবন্দরের কাছে বসবাস করা পরিবার, সৌজন্যে বিজেপি বিধায়ক

Dum Dum: আরতি মণ্ডলের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, সন্ধ্যা নামলেই এতদিন কেরোসিনের ল্যাম্পের আলোই ছিল তাঁদের ভরসা। গরমের দিনে হাতপাখা ব্যবহার করে কাটাতে হত সময়। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁদের।

Published on: May 30, 2026, 07:59:25 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Dum Dum: উত্তর দমদমের বিমানবন্দর সংলগ্ন একটি পরিবারের দীর্ঘ পাঁচ দশকের অন্ধকার জীবনে অবশেষে জ্বলে উঠল বিদ্যুতের আলো। এলাকার বাসিন্দা আরতি মণ্ডলের পরিবার প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সংযোগের অপেক্ষায় ছিল। বহুবার বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেও কোনও সমাধান না মেলায় শেষ পর্যন্ত আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তবে সম্প্রতি পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। বাম, তৃণমূল জমানা অন্ধকারে কাটিয়ে অবশেষে বিজেপি জমানায় এসে বিদ্যুৎ সংযোগ পেলেন আরতি মণ্ডল।

বাম, তৃণমূল জমানা অন্ধকারে কাটিয়ে অবশেষে বিজেপি জমানায় এসে বিদ্যুৎ সংযোগ পেলেন দমদমের আরতি মণ্ডল।
বাম, তৃণমূল জমানা অন্ধকারে কাটিয়ে অবশেষে বিজেপি জমানায় এসে বিদ্যুৎ সংযোগ পেলেন দমদমের আরতি মণ্ডল।

আরতি মণ্ডলের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, সন্ধ্যা নামলেই এতদিন কেরোসিনের ল্যাম্পের আলোই ছিল তাঁদের ভরসা। গরমের দিনে হাতপাখা ব্যবহার করে কাটাতে হত সময়। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁদের। আরতি মণ্ডলের শ্বশুর-শাশুড়ি এবং স্বামীও জীবদ্দশায় ঘরে বিদ্যুতের আলো দেখতে পাননি বলে জানিয়েছেন তিনি। এমনকি পরিবারের নতুন প্রজন্মের পড়াশোনাও চলেছে ল্যাম্পের ক্ষীণ আলোয়।

খবর অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারের সময় পরিবারের সমস্যার কথা জানতে পারেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার। সেই সময় তিনি বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। পরে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসতেই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, আবেদন জমা পড়ার পর মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে যায়। সৌরভ শিকদারের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানবন্দরের এত কাছে থেকেও একটি পরিবার দীর্ঘদিন বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিল, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

বিদ্যুৎ পাওয়ার পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন আরতি মণ্ডল। তাঁর কথায়, জীবনের অধিকাংশ সময় অন্ধকারে কাটানোর পর এখন অন্তত বাকি সময়টা আলোতে কাটানোর সুযোগ পেলেন। পরিবারের নাতনিও জানিয়েছে, বহু জায়গায় ঘুরেও সাহায্য না পেলেও শেষ পর্যন্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ হওয়ায় তারা খুশি। পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে অন্নপূর্ণা যোজনা, উজ্জ্বলা ও আবাসন-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বিদ্যুতের আলো জ্বলে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নতুন আশার আলোও দেখছে পরিবারটি।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More