ED arrest businessman: দীর্ঘক্ষণ জেরার পর অবশেষে ইডি-র হাতে গ্রেফতার বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ বেহালার বাড়ি থেকে আটক করার পর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টরকে। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর বিকেলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকেরা জানান, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বেহালার ব্যবসায়ীকে পাকড়াও ED-র
কেন নজরে ছিলেন জয় কামদার?
জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ইডি সূত্রে খবর, অতীতেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সময় তাঁর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার হয়েছিল, যা নিয়ে সেই সময়েও শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে ‘সোনা পাপ্পু’-র বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ইডি আধিকারিকেরা আর্থিক লেনদেনের বেশ কিছু সূত্র পান। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই সামনে আসে জয়ের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোনা পাপ্পু কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্যবসায়ী জয় কামদারকে বার দুয়েক তলব করা হয়েছিল। কিন্তু ইডির হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরেই রবিবার সকালে ইডির একটি দল বেহালায় তাঁর বাড়িতে হানা দেয় এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় তদন্তকারীরা।
সোনা পাপ্পু মামলা ও বালিগঞ্জ সংযোগ
সোনা পাপ্পুর সূত্র ধরেই রবিবার বেহালার পাশাপাশি বালিগঞ্জেও অভিযান চালিয়েছে ইডি। এদিন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও হানা দেন ইডি আধিকারিকেরা। গত ফেব্রুয়ারিতে বালিগঞ্জে কাঁকুলিয়া রোড এলাকায় একটি গুলি চালানোর ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল সোনা পাপ্পুর। সেই ঘটনায় তাঁর বেশ কয়েকজন সহযোগীকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও, মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুকে ধরতে পারেনি। ওই মামলার সূত্র ধরেই ইডি একটি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের তদন্ত শুরু করে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় জড়িতদের মধ্যে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের স্পষ্ট তথ্য মিলেছে। সেই লেনদেনের সূত্র খুঁজতে গিয়েই এখন বেহালার প্রোমোটার থেকে শুরু করে পুলিশ কর্তার বাড়ির দিকে নজর ঘুরিয়েছে ইডি।